, , ।
বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি: বড়াইগ্রামে প্রায় শতবর্ষ প্রাচীন ঈদগাহ অবৈধভাবে দখল চেষ্টা ও মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার ভান্ডারদহ পূর্বপাড়া পিরপাল খোদাখানা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সংলগ্ন সড়কে ঘন্টাব্যাপী চলা এ মানববন্ধনে গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল লতিফ খাঁ, সম্পাদক রওশন আলম, সাবেক সভাপতি লুৎফর রহমান মন্ডল, ব্যাংকার ফজলুর রহমান, সমাজসেবক আব্দুর রহমান মাঝি, খোরশেদ আলম ও মাওলানা রেজাউল করিম, ভান্ডারদহ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী মাসুদ রানা ও চান্দাই ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক খায়রুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯২০ সালে রাজা প্রমদানাথ রায় বাহাদুর ভান্ডারদহ মৌজার ৯৬৯ হালদাগের ৭৯ শতাংশ জমি পিরপাল খোদাখানা ঈদগাহ’র নামে দান করেন। এরপর স্থানীয় মুসল্লীরা এখানে অস্থায়ীভাবে ঈদের নামাজ পড়লেও ১৯৫১ সালে মিম্বর স্থাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদগাহ’র কার্য্যক্রম শুরু করেন। ইতিমধ্যে মাঠের মেঝে পাকাসহ চারপাশে প্রাচীর দেয়া হয়েছে। কিন্তু বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে একই গ্রামের আব্দুল জলিল মাঝি ও আব্দুল করিম মাঝি জমিটি তাদের বলে দাবি করে ঈদমাঠে নামাজ পড়তে নিষেধ করেন। তারা ঈদগাহ’র সাথে জড়িতদের নামে মামলা দিয়ে হয়রানীও করছেন। জালিয়াতির মাধ্যমে কিছু কাগজপত্র তৈরি করে এ জমির দখল নিতে চাচ্ছেন দাবি করে বক্তারা বলেন, গ্রামে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিষয়টির সুষ্ঠ সমাধানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল জলিল মাঝি বলেন, সিএস রেকর্ডে পিরপাল খোদাখানার নামে থাকলেও এসএ ও আরএস রেকর্ডে জমিটি আমার দাদার নামে রয়েছে। বিষয়টি সম্প্রতি জেনে আমরা জমির দাবি করছি। তবে তার দাদা পিরপাল খোদাখানার নামের জমি কিভাবে নিজের নামে রেকর্ড করিয়েছেন তা জানতে চাইলে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।