নগরীর টি-বাঁধে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধকে ঝুঁকিমুক্ত করতে এবং সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণের লক্ষ্যে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর কেশবপুর দক্ষিণপাড়া টি-বাঁধ এলাকায় এই যৌথ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার অভিজিৎ সরকার।
অভিযান চলাকালে কেশবপুর দক্ষিণপাড়া টি-বাঁধের ওপর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাফিজুর রহমান নামের এক দখলদারের নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা। এই বাঁধের স্থায়িত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এর ওপর গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর জানান, “রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধকে ঝুঁকিমুক্ত করতে এবং সরকারি স্থাপনা সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং রাজশাহী জেলা প্রশাসনের যৌথ তত্ত্বাবধানে বর্তমানে নগরীর কেশবপুর এলাকায় এই কাজ চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে পুরো জেলার চিহ্নিত এলাকাগুলোতে এই অভিযান চালানো হবে।”
অভিযান প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার পূর্বে অবৈধ দখলদারদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। নোটিশ পাওয়ার পর যারা স্বেচ্ছায় সরে গেছেন, তাদের স্থাপনা বাদ দিয়ে যারা এখনো রয়ে গেছেন এবং স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করে আছেন, মূলত তাদের উদ্দেশ্য করেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। বাঁধ রক্ষায় এই উচ্ছেদ অভিযান পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে। অভিযানের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ সরকার বলেন, “আমরা এর আগে একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করেছি। কিন্তু তারা নিজ উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। তাই পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আজ এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। শ্রীরামপুর বাঁধের পুরো অংশ জুড়ে এই উচ্ছেদ অভিযান চলবে এবং জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখা হবে।”


প্রকাশিত: July 10, 2026 | সময়: 4:07 am | সুমন শেখ

আরও খবর