সর্বশেষ সংবাদ :

বিএনপি নেতার বিস্ফোরক মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল, তৃণমূলে ক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার, দুর্গাপুর: রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম সাকলায়েনের একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে তাকে কয়েকজন দলীয় নেতাকর্মীর সামনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপিকে ‘স্বৈরাচারী দল’ আখ্যা দিতে এবং দলের সাংগঠনিক নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করতে শোনা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
বিএনপি নেতা গোলাম সাকলায়েনের সমালোচনামূলক মন্তব্য ও তার বিরুদ্ধে ওঠা নানান অভিযোগের তদন্ত সহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে উপজেলা বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছেন।
গোলাম সাকলায়েন দীর্ঘ সময় দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। ২০১১ সালে অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ৪নং দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে দলীয় সমর্থনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্বেও বিজয়ের মালা আর পরা হয়নি তার। এরপর আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি তিনি।
অবশ্য গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর-পুঠিয়া) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে গোপনে ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ চালিয়েছেন। যদিও শেষ পর্যন্ত কাঙ্খিত দলীয় টিকিট নামের সেই সোনার হরিণ ধরা দেয়নি গোলাম সাকলায়েনের অপলক চাহনির দিকে।
ভোটের সমীকরণ মেলাতে না পারা, ভোটের মাঠে কৌশলী ভূমিকা রাখতে ব্যার্থতা, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠণে অদক্ষতা, উপজেলা সদর থেকে নির্বাচন পরিচালনার জন্য অস্থায়ী কার্যালয় সরিয়ে নিয়ে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে হাট-কানপাড়া বাজার থেকে নির্বাচন পরিচালনা করা, কমিটিতে রাজনৈতিক দূরদর্শী সম্পন্ন বিচক্ষণ নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন ও প্রাধান্য না দিয়ে অনভিজ্ঞ নেতাদের সদস্য করা, সেই কমিটির কয়েকজন সদস্যের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সাথে গোপন আঁতাত ও দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গোলাম সাকলায়েনের পরাজয়ের রাস্তা বেশ প্রসারিত করে।
গোলাম সাকলায়েন ওই সময় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়ে রাজনীতির মাঠ থেকে নিরবে-নিভৃতে দূরে সরে যান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে মনোনিবেশ করেন। দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে রাজনীতিতে সক্রিয় হবার আহ্বান জানালে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলতেন, এই ধরনের নোংরা রাজনীতি আর করবেন না। দলীয় গঠণতন্ত্র সমুন্নত রেখে প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না থাকা, গণতান্ত্রিক পন্থায় সুস্থ ধারার রাজনীতির চর্চা না থাকা ও দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটানো না গেলে এই ধরনের পরিবেশে আর কখনোই রাজনীতি করবেন না। এমনকি ফিরবেনও না। রাজনীতি নয়, বরং তিনি পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী হয়ে গেছেন বলেও কর্মী-সমর্থকদের এ বিষয়ে কোনো কথা না বলার অনুরোধ করেন।
উপজেলা বিএনপির একটি সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবার আগের দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন অনেকটা রাজনীতিবিমুখ। বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে কেউ কেউ তখন মন্তব্য করেছিলেন, ভোটে হেরে রাজনীতির মাঠ থেকে ছিটকে পড়েছেন গোলাম সাকলায়েন।
তারপর থেকেই মূলত গোলাম সাকলায়েন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে খুব একটা সক্রিয় ছিলেন না। উল্টো উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক নেতার সাথে দারুণ সখ্যতা ও অত্যন্ত সুসম্পর্ক বজায় রেখে দেদারসে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে গেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে সখ্যতার কারণে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রণোদনা দিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে গেছেন। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও উপজেলা প্রশাসনকে বগলদাবা করে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন না করেই দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন ও জয়নগর ইউনিয়ন এলাকার কয়েকশ একর তিন ফসলী জমিতে অবৈধপন্থায় পুকুর খনন করেছেন। সরকারি খাস জমি দখল ও কিছু জমি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নিয়ে অবৈধপন্থায় পকুর খনন এবং মাটি বিক্রির অভিযোগও রয়েছে এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
ওই সময় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীরা পুকুর খনন করতে গেলেও বাধাগ্রস্ত হয়েছেন নানা ভাবে। কিন্তু অদৃশ্য খুটির জোরে বিএনপি নেতা গোলাম সাকলায়েনের পুকুর খনন বন্ধ হয়নি কিংবা বাধাগ্রস্তও হোননি কখনো।
বিএনপির ওই সূত্রটি আরও নিশ্চিত করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলেই পুকুর খননসহ যুগীশো-পালশা এলাকায় এসএস ফিস ফিড ফার্ম নামে একটি ফিড মিল স্থাপন করেছেন গোলাম সাকলায়েন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়েও যেসব সুযোগ-সুবিধা বাগাতে পারেননি, বিগত ১৬ বছরে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সেই তুলনায় অঢেল সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন-নিয়েছেন।
বিএনপি নেতা গোলাম সাকলায়েন একাধারে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সকল ধরনের সুবিধাভোগী একজন রাজনৈতিক নেতা ও সফল ব্যবসায়ী। রাজশাহী সহ উত্তরাঞ্চলে মাছ চাষে যথেষ্ট সুনাম, যশ ও খ্যাতি রয়েছে তার। মাছ চাষে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের কৃতিত্বস্বরূপ মৎস্য অধিদপ্তর থেকে পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে বিএনপি নেতা গোলাম সাকলায়েনকে বলতে শোনা যায়, ‘আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিও নিঃসন্দেহে একটি স্বৈরাচারী দল, আমাকে চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে কেউ করুক। আমিও চ্যালেঞ্জ করলাম, আমি প্রমাণ করে দেবো বিএনপি স্বৈরাচারী দল।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ফুটেজটি কোন সময়ের কিংবা কোন সমাবেশস্থলের তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এমনকি বিএনপি নেতারাও নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে, দীর্ঘ সময় পরে সরকার গঠণ ও পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ভিডিও ফুটেজটি ছড়িয়ে পড়ায় দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে বেশ হৈচৈ শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে নানা ধরনের মন্তব্য চলছে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে।
ভিডিওতে বিএনপি নেতা গোলাম সাকলায়েনকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘স্বৈরাচারী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ একটু বেশি, বিএনপি একটু কম। বিএনপি যে স্বৈরাচারী দল নয়, তা কিন্তু নয়।’
গোলাম সাকলায়েন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিএনপি বিগত ১০ বছরে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠন তৈরি করতে পারেনি। আমি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠন তৈরি করেছি। কিন্তু এখন এই অবস্থা যে আমার বাড়ির বাজার করে দেয় যে, তাকেও নেতা বানিয়েছি। কিন্তু কোনো টাকাওয়ালা লোককে নেতা বানাইনি।’
বিএনপির মহা-সমাবেশ প্রসঙ্গে গোলাম সাকলায়েনকে ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির ডাকা মহা-সমাবেশে নেতাকর্মীরা জড়ো না হয়ে কয়েক লাখ কাক জড়ো হয়েছিল। একটা ঢ্যাল ছুড়তেই সব কাক উড়ে গেছে। তবুও বিএনপি আওয়ামী লীগের একটি .. ছিড়তেও পারেনি।’
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর শেষ দিকে গোলাম সাকলায়েন বলেন, ‘আমাকে নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন, আমি বিএনপি করি নাকি আওয়ামী লীগ করি। একটা বিষয় পরিস্কার আমি একজন জাত ব্যবসায়ী। ব্যবসার স্বার্থে আমাকে অনেক কিছুই করতে হয়েছে। কখনো কখনো বিএনপির অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে দলের সমালোচনা করেছি। আপনারা কি মনে করেন আওয়ামী লীগই শুধু আমাদের প্রতিপক্ষ? বিএনপির এক সমন্ধি (আঞ্চলিক গালি অর্থে ব্যবহৃত শব্দ) আরেক সমন্ধির বিরুদ্ধে কথা বলে বেড়াচ্ছে।’
সম্প্রতি; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি নেতা গোলাম সাকলায়েনের বক্তব্যের ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ ও অসন্তোষ চরমে। উপজেলা বিএনপির একজন জৈষ্ঠ্য নেতার এমন মন্তব্য কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই, এমন মন্তব্য করে বিএনপির অপর পক্ষের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই ভিডিওটি শেয়ার করে অবিলম্বে গোলাম সাকলায়েনের বিরুদ্ধে দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলছেন।
দলীয় বিভেদ ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের সুযোগে ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে বেশ সরগরম ও উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির ভেতরে। ক্রমেই দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠছে। ভিডিও ভাইরাল ইস্যুর এই উত্তাপ উপজেলা ও জেলা ছাড়িয়ে কেন্দ্রেও পৌছেছে বলে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছেন।
বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান ও কৌশলী ভূমিকা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এই প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা গোলাম সাকলায়েনের সাথে কথা বলতে এবং বক্তব্য জানতে নানাভাবে চেষ্টা করা হলেও তার সাথে কোনোভাবেই কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোনে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। তার ব্যবসায়িক কার্যালয়ে গিয়েও দেখা মেলেনি। কয়েকজন কর্মচারীর দেখা মিললেও গোলাম সাকলায়েনের অবস্থান সম্পর্কে কেউ মুখ খোলেননি।
দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জোবায়েদ হোসেনের সাথে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলকে নিয়ে শুধু বিরূপ মন্তব্যই নয়, কুরুচিপূর্ণ শব্দচয়নও করা হয়েছে। এটি দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান আয়নাল বলেন, এই ধরনের বক্তব্য কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। গোলাম সাকলায়েন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
বিধায়, তার বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির পক্ষে সরাসরি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার এখতিয়ার নেই। তবে, বিষয়টি নিয়ে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আশাকরি জেলা কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে দলীয় গঠণতন্ত্রের আলোকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেবেন।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাংসদ আবু সাঈদ চাঁদ এবং সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকারের সাথে কথা বলতে তাদের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো ধরনের প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, গোলাম সাকলায়েন এক সময় উপজেলা বিএনপির সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি আর্থিক সহযোগিতা করে থাকেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, পুরো সংগঠন নিয়ে ঢালাওভাবে বিদ্রুপ মন্তব্য করবেন। এটি কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
কেন্দ্রীয় ওই নেতা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কোন সময়ের কিংবা কোন প্রেক্ষিতে তিনি দলকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন বিষয়টি স্পষ্ট নয়। যে পরিস্থিতি বা যে কারনেই হোক না কেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন মন্তব্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। এখন যেহেতু বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, সেহেতু তদন্ত সাপেক্ষে মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ। নচেৎ সংগঠন নিয়ে এমন বিরুপ মন্তব্য করার ধৃষ্টতা অনেকেই দেখাবে।


প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬ | সময়: ৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ

আরও খবর