, , ।
স্টাফ রিপোর্টার : ’বাড়ি তে থেকে আমাদের ক্ষতি হচ্ছিল। আজ থেকে (মঙ্গলবার) স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে। আমাদের খুবই ভালো লাগছে। আমি করোনা প্রতিষেধক টিকা নিয়েছি। আমার মতো সকলেই টিকা নিয়ে স্কুলে এসেছে। আমরা স্কুলে ফিরতে পেরে আনন্দিত।’ মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী মহানগরীর পিএন স্কুলের প্রধান ফটকের সামনে এভাবেই নিজের আনন্দ প্রকাশ করছিলেন সপ্তম শ্রেণীর কেয়া। কেয়ার মতো তার সহপাঠী আসমা বলেন, টিকা নিয়ে আমরা স্কুলে ফিরেছি। আমরা স্কুলেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করছি। স্বাস্থবিধি কী, এখন আমরা জানি, আমরা স্বাস্থবিধি মেনেই ক্লাস করছি।
শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত রাজশাহীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারের পূর্ব নির্দেশনামোতাবেক মঙ্গলবার থেকে খুলে দেয়া হয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে ১২ বছরের উপরে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরতে করোনার টিকা নিতে হবে। এরই মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা সেই টিকা গ্রহণ করেছেন।
রাজশাহী সরকারি পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তৌহিদ আরা জানান, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের দেয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে। পিএন স্কুলে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৭০০ জন। যাদের মধ্যে ১ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী করোনার টিকা নিয়ে স্কুলে ফিরেছে। বাকি শিক্ষার্থীদের যেহেতু ১২ বছর পুর্ণ হয়নি তাই তারা টিকা আওয়াতার বাইরে রয়েছে। শুধুমাত্র টিকা নেয়া শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশ নিতে পারবে। যারা টিকা নেয়নি তারা বাড়িতে বসে অনলাইনে ক্লাস করবে। প্রথম দিন (মঙ্গলবার) ক্লাসে উপস্থিতি ছিল প্রায় শতভাগ।
তিনি আরও জানান, সরকারি স্কুলগুলোতে ৬ষ্ট থেকে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা স্বশরীরে ক্লসে অংশ নিচ্ছে। ৮ম ও ৯ম শ্রেণীর ক্লাস হবে সপ্তহে দুই দিন। ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর ক্লাস হবে সপ্তাহে ১ দিন। আর নিউ ও ওল্ড টেনের শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে প্রতিদিন। ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা টিকার আওতায় না আসায় তারা বাড়িতে বসে অনলাইনে ক্লাস করছে।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্কুল প্রাঙ্গন ও ক্লাসরুম পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থবিধি মনতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে শিক্ষার্থীদের। প্রতি বেঞ্চে দুই জন করে শিক্ষার্থী বসান হচ্ছে।