সর্বশেষ সংবাদ :

সারদা পুলিশ একাডেমী থেকে ডিআইজি এহসানউল্লাহ পলায়ন: দু’মাসেও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার, চারঘাট: বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী সারদা থেকে ডিআইজি এহসানউল্লাহ হকের পালিয়ে যাওয়ার ২ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। ঘটনা ঘটার পর পরই একাডেমী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখন পর্যন্ত কমিটির রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি। এতে নানা ধরণের প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী কর্তৃপক্ষের দাবি, গঠিত কমিটি তদন্ত করছে।
জানা যায়, গত বছরের ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীতে কর্মরত ডিআইজি এহাসানউল্লাহকে আটক করতে ঢাকা থেকে গোয়েন্দা সংস্থার একটি দল বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীতে সারদায় আসে। এমন সংবাদ আগে থেকে জানতে পেয়ে ডিআইজি এহসানউল্লাহ একাডেমী থেকে পালিয়ে যান। তবে সুশৃঙ্খল বাহিনী এবং সুশৃঙ্খল এলাকা ও পুলিশের একটি গুরুত্বপুর্ণ প্রতিষ্ঠান থেকে একজন ডিআইজি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় একাডেমী কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলাকে দায়ি করছেন সচেতন মহল।
এ দিকে ডিআইজি এহসানউল্লাহ পালিয়ে যাওয়ার ২ মাস পেরিয়ে গেলেও অদ্যবধি পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়নি কার্যকর কোন ব্যবস্থা। এতে পুলিশ বাহীনির মধ্যেই দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। যে প্রতিষ্ঠানে দিনের বেলায় প্রবেশ করতে একাধিক পাহারাদারের সম্মুখিন হতে হয় সব শ্রেণি পেশার লোকজনকে, সেখানে একজন আসামী হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে ডিআইজি এহসানআুল্লাহ পালিয়ে যেতে পারলেন এমন প্রশ্ন রাজশাহী জুড়েই ঘুরপাক খাচ্ছে।
এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলাম বলেন, পলাতক ডিআইজি এহসানউল্লাহর বিষয়ে ব্যাপকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকের বক্তব্য গ্রহন করা হচ্ছে। এছাড়াও তার পরিবার সহ বিভিন্ন জায়গায় চিঠি প্রদান করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত চিঠির কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। উত্তর আসলেও ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারে পাঠানো হবে।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর অধ্যক্ষ তৌফিক মাহবুব চৌধুরী বলেন, ঘটনা পর পরই পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলামকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
তবে এখন পর্যন্ত পলাতক ডিআইজির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার বেতনসহ সব কিছুই বন্ধ রয়েছে।


প্রকাশিত: January 2, 2026 | সময়: 2:43 am | সুমন শেখ