, , ।
সানশইন ডেস্ক: সারাদেশে জুরে কোটা সংস্কার থেকে শুরু করে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘাত-সহিংসতায় কমপক্ষে ৬৩১ জন ছাত্র-জনতা প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১৯ হাজার ২০০ জনের বেশি।
আজ সোমবার (০৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে গত ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ চিত্র তুলে ধরেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪৫০ জনেরও বেশি মানুষকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল এবং এ ২১ দিনের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ আন্দোলনে হতাহতদের পরিপূর্ণ তালিকা তৈরি করতে গত ১৫ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৬ হাজার জনের বেশি দেশে সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং অন্তত ৩ হাজার জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব ও কমিটির প্রধান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তথ্য সংগ্রহ করা চ্যালেঞ্জিং। কারণ তারা সরকারি হাসপাতালের মতো কঠোরভাবে ডেটা সংরক্ষণ করেন না। কিছু ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যরা ভয়ে হাসপাতালে নাম রেজিস্ট্রি করান না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আরও জানান, এটি একটি খসড়া তালিকা। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এর ডেটা আরও আপডেট করছেন। কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে এ তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। সেখানে আরও কিছু অতিরিক্ত তথ্য সংযুক্ত থাকবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের বেসরকারি ক্লিনিকে যারা চিকিৎসা নিয়েছেন তাদের কোনো তথ্য দেয়া হয়নি সরকারকে। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। চট্টগ্রামে আহতের সংখ্যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২ হাজার। এ ছাড়া কমপক্ষে ৫৩৫ জন তাদের আঘাতের কারণে স্থায়ীভাবে শারীরিক অক্ষম হয়ে পড়েছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, স্বাস্থ্য অধিদপতরের অধীনে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) আন্দোলনে আহত ও নিহতদের তালিকা তৈরি করছে।