, , ।
মহাদেবপুর প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুরে বাসা-বাড়িসহ দোকান-পাটের ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য কয়েক বছর আগে উপজেলা সদরে বেশ কয়েকটি স্থানে ডাস্টবিন নির্মাণ করা হয়। শুরুতে এসব ডাস্টবিন থেকে ময়লা অবসারণ করা হলেও প্রায় ৬ মাসের অধিক সময় থেকে সেগুলো আর অপসারণ করা হচ্ছে না। ফলে পরিষ্কার-পরি”ছন্ন নগর গড়ার পরিবর্তে এসব ডাস্টবিনের ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য সদরের লিচুবাগান হাউজ বিল্ডিং এলাকায় আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে, কলেজ রোডের কমিউনিটি সেন্টারের পাশেসহ প্রায় ১০ টি স্থানে ডাস্টবিন নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে ডাস্টবিনগুলো ভরাট হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে এসব আবর্জনা। কিš‘ সেখান থেকে ময়লাগুলো অপসারণের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় এলাকার পরিবেশ দুর্গন্ধে দুষিত হয়ে উঠেছে।
এছাড়াও কুকুর শেয়ালরা খাবারের খোঁজ করতে গিয়ে আবর্জনাগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাস্তায় নিয়ে আসছে। জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাগুলো দিয়ে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ প্রতিদিন কয়েক হাজার পথচারী চলাচল করেন। ওই দুটি রাস্তার প্রায় ১শ মিটার নাকে রুমাল চেপে চরম কষ্টে পথচারীদের পার হতে হয়।
লিচুবাগান এলাকার ডা. রঞ্জন চৌধুরী জানান, ময়লাগুলো অপসারণ না হওয়ায় এগুলো উপচে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এর দূর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। মানুষসহ প্রাণীকুল স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
এছাড়াও আমার কাছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা দূর্গন্ধে আরো অসুস্থ হয়ে পরছেন। ময়লার ভাগাড়ের পাশের চায়ের দোকানদার নারায়ন চন্দ্র জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে এখানে চায়ের দোকান করি। এ দোকানের আয় দিয়েই সংসার চালিয়ে আসছি। বেচাকেনা মোটামুটি ভালোই হতো, কিš‘ এখানে ডাস্টবিন নির্মাণের পর ময়লা আবর্জনা জমে থাকায় এর দূর্গন্ধে দিন দিন খরিদ্দার কমতে থাকে।
বর্তমানে বেচাকেনা একেবারেই কম হয়। এ আয় দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।এ বিষয়ে সদর ইউপি চেয়রম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল বলেন, ময়লাগুলো অপসারণ করে ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় এগুলো অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে দ্রুত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে এসব ময়লা-আবর্জনা অপসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।