, , ।
হাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল: ৪৫ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের এমপি প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। এই প্রথম বার এমপি হয়েই পূর্ণ মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন তিনি। মন্ত্রীত্ব পাওয়ায় খুশি মধুপুর ও ধনবাড়ী এলাকাবাসী।
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন প্রথমবার এমপি হয়েই ডাক, টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণ করেছেন। এ খবরে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) অঞ্চলে আনন্দ ও গর্বের আবহ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার পর জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠান শেষে ফকির মাহবুব আনাম স্বপন কে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
৪৫ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকের এমপি প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। এর আগে তিনি এমপি না হয়েও অক্লান্ত চেষ্টা করে ২০০৬ সালে বৃহত্তর মধুপুর উপজেলা কে দুই ভাগে বিভক্ত করে প্রয়াত সাবেক প্রধান মন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কে দিয়ে ধনবাড়ী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করে দেন। সেই থেকেই ধনবাড়ী অঞ্চলের উন্নয়নের দ্বার খুলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে গভীর সম্পৃক্ততা এবং দলীয় সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে তিনি মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলার বেকার সমস্যা সমাধানে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের বহুমূখী কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা সহ এলাকার নানা উন্নয়ন এবং নিরাপদ ধনবাড়ী-মধুপুর গড়তে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন মধুপুর-ধনবাড়ীর বাসিন্দারা।
জাতীয় রাজনীতিতে মধুপুর-ধনবাড়ীর প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হওয়ায় এ অঞ্চল সহ টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এটিকে মধুপুর-ধনবাড়ীর জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দেখছেন।