, , ।
ইমাম হোসেন, ডিজিটাল:
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা জুরে সরিষার চাষাবাদ কম হলেও হলুদের সমারোহ লক্ষ করা গেছে । উপজেলার শিলমাড়িয়া ও ভালুকগাছীতে এবার বেশি চাষ হয়েছে সরিষার। চারদিকে সরিষার হলুদ রঙে ভরে উঠেছে ফসলের মাঠ। কৃষকরা আশা করছেন সরিষার বাম্পার ফলনের। কিন্তু উপজেলার বানেশ্বর, বেলপুকুর, পুঠিয়া, জিউপাড়া ইউনিয়নের মধ্যে এবার কম চাষ হয়েছে সরিষার।
এই এলাকার চাষিরা বলছেন এবার রসুন ও পেঁয়াজের দাম ভালো হওয়ায় আমরা সবাই সরিষা চাষ বাদ দিয়ে রসুন ও পেঁয়াজ চাষবাদ করছি। যদি এই ফসলের দাম আশানুরূপ না পাই তাহলে সামনে বার পুনরায় সরিষা চাষ করবো।
পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া এলাকার চাষি তরিকুল ইসলাম বলেন, এবারে অভাবনীয় সাফল্যের আশায় বুক বেঁধেছেন চাষিরা। সরিষা ক্ষেতে চাষীদের চোখে মুখে সেই যেন আনন্দের হাসি।
উপজেলার তেলিপাড়া গ্রামের সরিষা চাষী জমসেদ আলী জানান, এবারে ভাল ফলন হবে। তবে সরিষার ফলনে দৃষ্টি যেন জুড়িয়ে যায়। শীতে সরিষা চাষে কোন সমস্যা হচ্ছে না। ফলন ভাল হবে। প্রতি বিঘায় ৬ থেকে ৮মন সরিষা উঠতে পারে। অন্য ইউনিয়নে তেমন সরিষা চাষ হচ্ছে না আপনারা কেন চাষে আগ্রহ জানতে চাইলে সোনার দেশকে জানান, রসুন পেঁয়াজ চাষে অনেক টাকা খরচ ও পরিশ্রম কারতে হয়। আবার শিলা বৃষ্টির একটি বড় সমস্যা তাই চিন্তা না করে অল্প খরচ ও পরিশ্রমে সরিষায় ভালো লাভ পায় আমরা।
এব্যাপারে পুঠিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার স্মৃতি রানী সরকার জানান, এ মৌসুমে উপজেলাতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ৫ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে। কিন্তু এবছর রসুন, পেঁয়াজের দাম ভালো দেখে বেশির ভাগ চাষিরাই সরিষা চাষে এবার আগ্রহ হারিয়ে ৩ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। এবার রসুন পেঁয়াজ চাষ করে ভালো করতে না পারলে সামনে বার আবার লক্ষমাত্রা অর্জন হবে আশা করি। যা গত বছর চাষ হয়েছিলো ৫ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে। যার পুরোট চাষাবাদ অর্জন হয়েছিলো।