, , ।
নুরুজ্জামান,বাঘা :
যারা দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন তাদের চিকিৎসার ব্যয় ছিল মাত্র ২০ হাজার টাকা। এখন সেটি বাড়িয়ে ৩ লক্ষ টাকায় আনা হয়েছে। আর এ কাজটি করেছেন জাতির জনকের সু-যোগ্য কন্যা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার(২৭ অক্টোবর) সকালে বাঘা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্্র ভবনে ১৩৬ জন মুক্তিযোদ্ধার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকার অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব ও বাঘার কৃতি সন্তান রথীন্দ্রনাথ দত্ত প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
সকাল সাড়ে ১০ টায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতের সাবেক পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় যুগ্ন-সচিব রথীন্দ্রনাথ বলেন, আমি এখানে বক্তিতা করতে আসিনি। এসেছি আপনাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে। আমি খবর নিয়ে জেনেছি, ইতোমধ্যে বাঘায় ১২ জন মুক্তিযোদ্ধা সরকারি অর্থায়নে পাকা ভবন পেয়েছেন এবং ১৭ জন পরবর্তী তালিকায় অর্ন্তভুক্ত আছেন। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি , খুব দ্রুত এটি বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করবো।
তিনি বলেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন, বিগত সময়ে একজন মুক্তিযোদ্ধা অসুস্থ হলে তাঁর জন্য সরকার ব্যয় করতেন মাত্র ২০ হাজার টাকা। এখন সেটিকে বাড়িয়ে ৩ লক্ষ টাকায় আনা হয়েছে। আপনাদের মধ্যে যদি কেউ অসুস্থ থাকেন তাহলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মাধ্যমে তালিকা ভুক্ত হয়ে ঢাকায় আসবেন। আপনাদের পুরো শরীর চেকাপ করে উন্নত চিকিৎসা দেয়া হবে। শুধু তাই নয়, আওয়ামীলীগ সরকার যদি ফের ক্ষমতায় আসে তাহলে আপনাদের সম্মানী ভাতাও কিছুটা বৃদ্ধি করা হবে বলে ওয়াদা করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে তিনি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মুখ থেকে প্রশাসনিক জটিলতার কারনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্্র ভবন চালু না হওয়া সহ বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনে বলেন, আমরা নিজেরা নিজেদের মর্যদা রক্ষা করতে চাই। বিগত তালিকায় কে মুক্তিযোদ্ধা ছিলো আর কে বাদ পড়েছে সেটাকে বড় করে না দেখে আপনারা নিজেদের মধ্যে কোন্দল নিরসন করে একটি কল্যান কমিটি গঠন করেন। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, খুব শীঘ্রই এ ভবন চালু করার ব্যবস্থা করবো। এরপর এই ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় যে মার্কেট করা হয়েছে সেখান থেকে যে ভাড়া পাওয়া যাবে সেটি আপনাদের কল্যান তহবিলে জমা করা হবে।
রথীন্দ্রনাথ বলেন, আমি আপনাদের এলাকার কৃতি সন্তান। আমার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। আমি চাই আপনারা একসাথে মিলে-মিশে থাকবেন এবং হাসি খুশির সাথে জীবন যাপন করবেন। তিনি এ বছর শীত মৌসুমে নিজ অর্থায়নে বাঘার সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা হিসাবে একটি করে শালের চাদর উপহার দেয়ার অঙ্গীকার করেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি জুয়েল আহাম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক ওহিদুর রহমান, শিক্ষক শাজাহান আলী, মুক্তিযোদ্ধা রয়েজ উদ্দিন, বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত)সবুজ রানা ,উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি অশিত কুমার ওরুপে বাকু পান্ডে ও বাঘা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান।
সানশাইন/সোহরাব