, , ।
স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর পবা উপজেরা সেন্টারে সরকারি হাসপাতালে বসে চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস বা বৈকালিক চেম্বার কার্যক্রম শুরু হলেও সাড়া মেলেনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোজার পর থেকে রোগি বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন প্রতিদিন গড়ে রাজশাহী কেন্দ্রে ৫/৬ জন করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। উদ্বোধনের এক সপ্তাহে মাত্র ৬০ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। রাজশাহীর পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মকর্তা ডা. রাবেয়া বশরী বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে প্রচার না থাকার কারনেই রোগিরা সেবা নিতে আসছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
রাজশাহীর পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস শুরু হয়েছে। তবে শুরু থেকেই রোগী মিলছে না। এদিকে চিকিৎসকদেরও তেমন পাওয়া যায় নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে এখানে ১০ জন মেডিক্যার অফিসার ও চারজন কনসালটেন্ট নিয়োজিত রয়েছেন। এরমধ্যে মেডিক্যাল অফিসারের ফি ১৫০ টাকা এবং কনসালটেন্ট ফি ৩০০ টাকা।
পবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাবেয়া বসরী বলেন, আমরা খুব কম সময়ে এখানে কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে চারজন কনসালটেন্ট ও ১০ জন মেডিকেল কর্মকর্তাকে ভাগ করে এই দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, আমাদের চারজন চিকিৎসকের মধ্যে দুজন ডাক্তারের ডিউটি দেওয়া হয়েছে। গাইনি ও সার্জারি ডাক্তার রয়েছেন। রাবেয়া বসরী বলেন, রমজান মাসের কারণে রোগীর সংখ্যা কম। তিনি আশা আশা প্রকাশ করে বলেন, রোজার শেষে জোরেসোরে এ কার্যক্রম শুরু হবে।