সর্বশেষ সংবাদ :

নওগাঁয় ‘মিনিকেট’ চাল বিতর্ক নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

 

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

‘মিনিকেট’ চাল বিতর্ক নিয়ে নওগাঁ জেলা অটো রাইস মিল মালিক সমিতি ও ধান্য-চাউল আড়তদার সমিতির নেতাদের সংবাদ সম্মেলন। মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁর আলুপট্টি এলাকায় ‘মিনিকেট’ চাল বিতর্ক নিয়ে নওগাঁ জেলা অটোমেটিক রাইস মিল মালিক সমিতি ও ধান্য-চাউল আড়তদার সমিতির নেতাদের সংবাদ সম্মেলন।
সম্প্রতি ‘মিনিকেট’ চাল নিয়ে ওঠা বিতর্ককে চালকল মালিকদের বিরুদ্ধে ‘গভীর যড়যন্ত্র’ বলে উল্লেখ করেছে নওগাঁ জেলা অটোমেটিক রাইস মিল মালিক সমিতি ও ধান চাউল আড়তদার সমিতি।

মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁ ধান্য-চাউল আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় চালকল মালিকেরা এ অভিযোগ করেন। নওগাঁ জেলা অটোমেটিক রাইস মিল মালিক সমিতি এবং ধান্য-চাউল আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতি যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
পর্যাপ্ত সেচ সুবিধার কারণে গোটা উত্তরাঞ্চলে ইদানীং ব্যাপকভাবে জিরাশাইল ধানের চাষ হচ্ছে। এই জিরাশাইল ধানই দেশের কোনো কোনো অঞ্চলের কৃষকেরা মিনিকেট নামে বাজারে বিক্রি করছেন।

নিরোদ বরণ সাহা, সভাপতি, নওগাঁ ধান্য-চাউল আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নওগাঁ ধান্য-চাউল আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নিরোদ বরণ সাহা ওরফে চন্দন।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সম্প্রতি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি থেকে উচ্চপর্যায়ের আমলারা বলছেন, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই। অথচ তাঁরা বলছেন না, মিনিকেট নামে বাজারে প্রচলিত চাল কোন ধান থেকে উৎপাদিত। অথচ এ বিতর্ক ওঠার আগে ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে বাজারে কমবেশি মিনিকেট চাল ছিল।

লিখিত বক্তব্যে ধান্য-চাউল আড়তদার সমিতির সভাপতি নিরোদ বরণ সাহা বলেন, তাঁরা উত্তরাঞ্চলের নাটোর, নন্দীগ্রাম, সিংড়া, রনবাঘা, চৌবাড়িয়া ও কুষ্টিয়ার কৃষকদের কাছ থেকে মিনিকেট ধান কিনছেন। তাহলে এটা কোন ধান? বিষয়টি স্পষ্ট করা হচ্ছে না। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, মেশিনে চাল ছাঁটাই বা পলিশ করে চাল ছোট বা লম্বা করা হচ্ছে। বাস্তবতা হলো—দেশের কোনো চালকলে চাল ছাঁটাই বা লম্বা করার কোনো মেশিন নেই।সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘নওগাঁয় চাল কেটে তৈরি হচ্ছে মিনিকেট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ওই সংবাদের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিমূলক এবং বাস্তবতাবর্জিত। বাস্তবতা হলো, চাল কেটে ছোট বা লম্বা করার কোনো মেশিনই এখনো আবিষ্কার হয়নি। চাল ভেঙে খুদ করা যেতে পারে। এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ফলে নওগাঁর চাল ব্যবসার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এতে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে। ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে।

 

চালকল মালিক বেলাল হোসেন বলেন, ‘বলা হচ্ছে, বিভিন্ন জাতের ধানের চাল কেটে নাকি মিনিকেট চাল বানানো হয়।এটা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

 

 

সানশাইন/তৈয়ব


প্রকাশিত: October 11, 2022 | সময়: 8:03 pm | Daily Sunshine