, , ।

সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে পুরো বছর জুড়েই আলোচনায় ছিলেন রিজওয়ান। ২৯ ম্যাচে করেছেন ১ হাজার ৩২৬ রান, গড় ৭৩.৬৬। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩৪.৮৯। ব্যাট হাতে বিস্ফোরক ভূমিকার পাশাপাশি গ্লাভস হাতেও ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক। ডিসমিসাল ছিল ২৪টি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে সেমিতে তুলতে তার ছিল বিশাল ভূমিকা। টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটিও আসে গত বছর। লাহোরে বছরের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেছেন ওই ইনিংস। আইসিসির কাছে তার সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় ইনিংসটি ছিল ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ১৫২ রানের লক্ষ্যমাত্রা কাগজে-কলমে সহজ মনে হতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষ দলে ছিল জসপ্রীত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সামির মতো আগ্রাসী পেসার। তাই এমন আক্রমণের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করা সহজসাধ্য ছিল না। রিজওয়ান সেই কাজটি করেছেন অদম্য মনোবলে ৫৫ বলে ৭৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে। এই বিধ্বংসী ইনিংসে ১০ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান। যা বৈশ্বিক মঞ্চে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রথম কোনও জয়ের দৃষ্টান্ত।