সর্বশেষ সংবাদ :

রাজশাহীর শিক্ষার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব: মাহমুদা হাবীবা

স্টাফ রিপোর্টার: সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবীবা বলেছেন, রাজশাহী তাঁর ভালোবাসার শহর। শিক্ষাজীবনের শুরু এই নগরী থেকেই হওয়ায় রাজশাহীর শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন তিনি।
রবিবার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় গৃহীত প্রকল্পের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাহমুদা হাবীবা বলেন, রাজশাহী দেশের শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত। তাই এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ তাঁর দীর্ঘদিনের। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাজশাহীর শিক্ষার উন্নয়নে সর্বাধিক অবদান রাখতে তিনি সচেষ্ট থাকবেন। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বাজেটেও শিক্ষা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় দুই শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে তা পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বরাদ্দের উল্লেখযোগ্য অংশ যেন রাজশাহীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে ব্যয় হয়, সে লক্ষ্যে তিনি কাজ করবেন বলে জানান।
সংসদ সদস্য আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ পাওয়া অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি আগামী পাঁচ বছর রাজশাহীর মানুষের সঙ্গে থেকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং এ সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে দেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য দোয়া কামনা করেন। এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণ করে তাঁদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে রাজশাহী মহানগরীর ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় মোট ৪০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন সংসদ সদস্য। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য দেওয়া সরকারি অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করতে হবে। বরাদ্দের অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি করা হবে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহিনুল হাসান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) আব্দুল হাই সরকার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬ | সময়: ৫:০৬ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ