, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হয়। বুধবার (২৬ মার্চ) দিন ব্যাপি নানান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বে-সরকারি ভবনসমূহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনি ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরের শহিদ স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মাধ্যমে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরের শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, সংস্থা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলাদাভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদদের শ্রদ্ধা জানান।
সকাল নয়টায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ জাতীয় সংগীত পরিবেশনার সাথে সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে তিনি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ পরিদর্শন শেষে মার্চপাস্টে অংশগ্রহণ করেন।
বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে স্টেডিয়ামে আগতদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, মহান ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনে একটি ঐতিহাসিক এবং গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের নিরীহ, নিরস্ত্র মানুষের উপর নৃশংস গণহত্যা পরিচালনা করে, যার ফলশ্রুতিতে এদেশের আপামর জনসাধারণ স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়ে, হাতে তুলে নেয় অস্ত্র, ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতা। বিশ্বের মানচিত্রে জায়গা করে নেয় নতুন একটি দেশ। আমরা অর্জন করি একটি লাল সবুজের পতাকা। এসময় তিনি সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।
জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি’র কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে মার্চপাস্টে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনার।
মহানগর জামায়াত: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর উদ্যোগে বুধবার সকালে মহানগর কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর এ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারী অধ্যক্ষ শাহাদৎ হোসাইনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মাহবুবুল আহসান বুলবুল, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন সরকার, হাফেজ নুরুজ্জামান, ডা: হাসানুজ্জামান হাসু, বোয়ালিয়া থানা আমির আবুবকর সিদ্দিক মতি, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আদিলুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
রাসিক: জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে অবস্থিত শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ, এনডিসি।
পুস্পস্তবক অর্পণকালে রাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহমেদ আল মঈন পরাগ, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু, সিটি হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. তারিকুল ইসলাম বনি, রাজস্ব কর্মকর্তা সারওয়ার হোসেন, উপসচিব তৈমুর হোসেন, ট্যাক্সেশন কর্মকর্তা (কর) ইমতিয়াজ আহমেদ, জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-ট্যাক্সেশন কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিন, উপ-কর নির্ধারক লুৎফুল হায়দার স্বপন, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) শফিকুল ইসলাম, সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোফাজ্জল হোসেন, সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা রকিবুল হক তুহিন, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং) শাহরিয়ার রহমান, লাইসেন্স পরিদর্শক সালাহউদ্দিন, লাইসেন্স পরিদর্শক আব্দুল ওহাব তপন, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিব, স্বাস্থ্য সহকারীসহ বিভিন্ন বিভাগ শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়। এদিন ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনসহ অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯টায় উপাচার্য প্রফেসর সালেহ্ হাসান নকীব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ও সকাল ১০টায় গণকবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এসময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ইখতিখারুল আলম মাসউদ, প্রক্টর প্রফেসর মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদার, অনুষদ অধিকর্তা, হল প্রাধ্যক্ষ ও প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সকালে প্রভাতফেরি শেষে হল প্রশাসন, বিভাগ, ইনস্টিটিউট, শিক্ষক সমিতিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। বিকেল ৩টায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা. ফরিদ উদ্দীন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় রাবির শহীদ পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়। এই আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর সালেহ্ হাসান নকীব এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন। সেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর মু. শামসুল আলম, বীরপ্রতীক, ফজলুল হক, আবুল কালাম আজাদ, গোলাম মোস্তফা, গোলাম কিবরিয়া, আবুল কালাম আজাদ, খন্দকার মো. নুরুন্নবী প্রমুখ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ইখতিখারুল আলম মাসউদ, প্রক্টর প্রফেসর মাহবুবর রহমান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর আখতার হোসেন মজুমদার, অনুষদ অধিকর্তা, হল প্রাধ্যক্ষ ও প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ছাত্র-উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
রামেবি: রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (রামেবি) সকাল ৯টায় রামেবির অস্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন, রামেবির উপাচার্য প্রফেসর ডা. মোহাঃ জাওয়াদুল হক। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্য প্রফেসর ডা. মোহাঃ জাওয়াদুল হক এর সভাপতিত্বে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও বক্তব্য দেন, রামেবির কোষাধক্ষ ডা. জাকির হোসেন খোন্দকার, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ডা. আব্দুস সালাম। এসময় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ডা. শাহ আলম, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মুহাম্মদ ইব্রাহীম কবীর, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী সিরাজুম মুনীর, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু মোঃ শফিউল আলমসহ রামেবির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মুহাম্মদ ইব্রাহীম কবীর।
বিএমডিএ: জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। বুধবার (২৬মার্চ) বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়সহ বিএমডিএর সকল দপ্তরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাদ জোহর জাতির শান্তি, সমৃদ্ধ, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করে দোয়া করেন বিএমডিএর কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।
এসময় উপ¯ি’ত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শিবির আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিন্নুরাইন খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শমসের আলী, (রাজ-২০৮৮)সভাপতি মুজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ দোয়াই অংশগ্রহণ করেন। দোয়া পরিচালনা করেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পেশ ইমাম এস.এম রফিকুল ইসলাম।
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড: সকালে^াধীনতার বীর শহিদদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহিদদের স্মরণে ০১ মিনিট নীরবতা পালন এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দুপুরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ. ন. ম. মোফাখখারুল ইসলাম অ¯’ায়ী কর্মচারীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।
বাদ আছর মহান স্বাধীনতায় শাহাদৎ বরণকারী সকল শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শিক্ষা বোর্ড মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী কলেজ: সকালেকলেজ শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুঃ যহুর আলীর সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় স্মৃতিচারণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুঃ যহুর আলী ও উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ ইব্রাহিম আলীর নেতৃত্বে রাজশাহী কলেজ প্রশাসন ভবন প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শিখা সরকার, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রাধানসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা প্রশাসন ভবন থেকে শুরু হয়ে কলেজ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। কলেজ অডিটোরিয়ামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর মুঃ যহুর আলী। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ ইব্রাহিম আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শিখা সরকার, মুখ্য আলোচক প্রফেসর মোহাম্মদ নাফিজ, আলোচক ড. আবুল মজন চৌধুরী, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রাধানসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়: দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সূর্যোদয়ের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যার নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে শুরু হয় আলোচনা সভা। সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান, রেজিস্ট্রার সুরঞ্জিত মন্ডল, বিভিন্ন স্কুলের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, কো-অর্ডিনেটরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। আলোচনা সভার শুরুতে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর শহীদুর রহমান।
নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি: ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর সকাল ১০ টায় আলোচনা সভা ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘ইচ্ছে’ পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মকসুদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলা ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুর রউফ ও রেজিস্ট্রার ড. আজিবার রহমান। বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হাসান ঈমাম সুইটের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটির প্রক্টর নুর ই আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী জেলা পরিষদ: রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে প্রথম প্রহরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন রাজশাহী জেলা পরিষদ প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মু: রেজা হাসান। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা পরিষদের অফিস চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুঃ রেজা হাসান সহকারী প্রকৌশলী এ. কে. এম আনোয়ার হোসেন, প্রধান সহকারী এস. এম. আল মতিন, হিসাব রক্ষক খ. মু. মোস্তাফিজুর রহমান, উপ সহকারী প্রকৌশলী (অঃদাঃ) মো: আলেফ আলী, উচ্চমান সহকারী মোঃ আইয়ুবুর রহমান-সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড: সকালে বোর্ডের মহাপরিচালক জনাব ড. এম এ মান্নান এর নেতৃত্বে র্যালি করে ভদ্রাস্থ স্মৃতি অম্লানে স্বাধীনতার বীর শহিদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এই মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে বোর্ড প্রধান কার্যালয় বর্ণিল আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়। দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক(গবেষণা ও প্রশিক্ষণ) জনাব মোছা: নাছিমা খাতুন, পরিচালক(প্রশাসন) জনাব মোহাম্মদ এমদাদুল বারীসহ বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী ওয়াসা: রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে প্রথম প্রহরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রেজাউল আলম সরকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ,উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল) আল্লা হাফিজ, সচিব সূবর্ণা রাণী সাহা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুর রহমান ও এস্টেট অফিসার আবুল কালাম আজাদ-সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর: রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে প্রথম প্রহরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন রাজশাহী অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, এনডিসি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরীন ঝিনুক, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।