বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টাফ রিপোর্টার, নাটোর: বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে ভোট থেকে বঞ্চিত করেছে। দীর্ঘ ১৫ বছর দেশের সব নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে শহরের আলাইপুরস্থ জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে নাটোর চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
দুলু বলেন, আওয়ামী লীগের শাসন আমলে পার্লামেন্ট নির্বাচন থেকে শুরু করে দেশে কোনো নির্বাচনই হয়নি। সব পাতানো সাজানো। তারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। মানুষের ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। শ্রমিক নির্বাচন থেকে শুরু করে দেশের সকল নির্বাচন নষ্ট করেছে।
দীর্ঘ ১৫ বছর বিএনপি মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকারের সংগ্রাম চালিয়েছে। আমরা ভোট থেকে বঞ্চিত হয়েছি। অনেক বছর ধরে জাতিকে পার্লামেন্ট নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। তাই পুরো গণতন্ত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
দুলু আরও বলেন, আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচন নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। যে নির্বাচন তিন মাসের মধ্য হওয়ার কথা কিন্তু যারা আজকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় রয়েছে, তারা চেস্টা করছে নির্বাচন যত দেরিতে করা যায়।
তিনি বলেন, নির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে বলতে চাই, নির্বাচন যেদিন হোক না কেন, আপনারা এখন থেকেই বিএনপির ধানের শীষ প্রতীককে জয়লাভ করানোর জন্য কর্মকান্ড শুরু করতে হবে।
নাটোর চিনিকল শ্রমিক নির্বাচন আমাদের উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, আপনাদের এ বিজয় আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিএনপিকে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহিত করবে। এ বিজয় আগামী পালামেন্ট বিজয়কে ত্বরান্বিত করবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, শ্রমিক নেতা হাবিবুর ইসলাম হেলাল, নাটোর চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়নের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ, সহ-সভাপতি আতাউর রহমান বাবু, সহ-সভাপতি (অফিস) মাইনুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (কারখানা) মাহামুদুল হাসান নাহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (অফিস) আনোয়ার হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
প্রসঙ্গত গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত নাটোর চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ২৫টি পদের নির্বাচনে শুধুমাত্র সভাপতি জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ছাড়া বাঁকী ২৪টি পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করে।