, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ও রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী ঈশা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন রাজশাহী মহানগরীতে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাণীতে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য প্রতীক। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির বিজয়ের বার্তা নিয়ে প্রতিবছর দুর্গোৎসব আমাদের মাঝে ফিরে আসে।
রাসিক প্রশাসক বলেন, এবারের দুর্গোৎসবে রাজশাহীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের আগমন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে রাজশাহীবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এ আনন্দঘন সময়ে শারদীয় দুর্গোৎসব সবার মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও জোরদার করবে বলে আমি আশাবাদী।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’—এই চেতনাকে ধারণ করে আমাদের সম্মিলিতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে। শারদীয় দুর্গোৎসব উৎসবমুখর, নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
পরিশেষে, শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনবে—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীর সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন রাসিক প্রশাসক।
এদিকে, রাজশাহী মহানগরীসহ জেলার সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা।
রবিবার শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির বিজয়ের চিরন্তন বার্তা নিয়ে প্রতিবছর এ উৎসব আমাদের মাঝে ফিরে আসে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দুর্গোৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য প্রতীক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহমানকাল থেকেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। এ দেশের সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন। ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ এই আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবাইকে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন অটুট রাখতে হবে। একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বাণীতে তিনি আরও বলেন, এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব রাজশাহীতে আনন্দের নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহীতে আগমনকে কেন্দ্র করে নগরবাসীর মধ্যে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে, তা উৎসবের আনন্দকে আরও বর্ণিল করে তুলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ আনন্দঘন সময়ে দুর্গোৎসব সবার মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।
দুর্গোৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করে জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দমুখর, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নভাবে উদযাপিত হবে। উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে; দূর হোক বিভেদ ও বৈষম্য, প্রতিষ্ঠিত হোক মানবতা, সম্প্রীতি ও শান্তির বন্ধন।
পরিশেষে তিনি শারদীয় দুর্গাপূজা সবার জীবনে সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং রাজশাহীসহ দেশ-বিদেশের সব সনাতন ধর্মাবলম্বীর সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।