, , ।
রাবি প্রতিনিধি,ডিজিটাল :
দীর্ঘ ৩৫ বছর আগামীকাল (১৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু নির্বাচন)। এছাড়া ১৭টি হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। দফায় দফায় পিছানোর পর অবশেষে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সর্বশেষ ১৯৯০ সালে রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
২৮ হাজার ৯০১জন ভোটার এই নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ টি একাডেমিক ভবনের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩টি পদের বিপরীতে ৩০৫ জন, সিলেটে ৫টি পদের বিপরীতে ৫৮ জন এছাড়া ১৭টি হল সংসদে ৫৫৫ জন প্রার্থীতা করবেন। তবে ৪টি হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪২জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত “ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম”, ছাত্রশিবির সমর্থিত “সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট”, সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে “আধিপত্য বিরোধী ঐক্য” প্যানেল ও বামজোট সমর্থিত কয়েকটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র অনেক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
ভোট গ্রহণের জন্য মোট ২১২ জন শিক্ষকের কাজ করবেন।যাদের মধ্যে ১৭ জন প্রিজাইডিং অফিসার, অবশিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া ৯১ জন কর্মকর্তা পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচনে নিরাপত্তার জন্য দুই হাজার পুলিশ সদস্য, ৬ প্লাটুন বিজিবি, এবং ১২ প্লাটুন র্যাব সদস্য কাজ করবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি কার্যক্রম সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
এদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভোট গণনা করা হবে। ভোট গণনা ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে হবে। নির্বাচন শেষ হওয়ার ১৭ ঘন্টার মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব বলে নির্বাচন কমিশন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। তবে তাড়াতাড়ি ফল প্রকাশ করতে অগ্রহণযোগ্য কোন ফলাফল যেন না প্রকাশ হয় সে দিকেই খেয়াল রাখা হবে বলে জানান তারা।
নির্বাচনে যারাই জয়লাভ করুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদী শিক্ষার্থীরা। আবাসন সংকট নিরসন, হলের খাবারের মান বৃদ্ধি, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পোষ্য কোটা ইস্যুতে তা পিছিয়ে যায়। পরে ১৬ অক্টোবর নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়।
নাজমুল হুদা / শামি