বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান প্রকৌশলী কে এম জুয়েল

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর তানোর-গোদাগাড়ীসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করতে চান বিএনপি নেতা প্রকৌশলী কে এম জুয়েল। দুই উপজেলার পরিচিত মুখ এই নেতা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কে এম জুয়েল তানোর-গোদাগাড়ীর রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। দলের কঠিন সময়ে মাঠে থেকে কর্মীদের পাশে থাকার জন্য এলাকায় তাঁর জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েল বলেন, “আমার স্বপ্ন রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন করা। তানোর ও গোদাগাড়ী কৃষিনির্ভর এলাকা; এখানে কৃষির আধুনিকায়ন, শিক্ষার বিস্তার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মাঠে থেকে দলের সঙ্গে কাজ করছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছি। দলের মনোনয়ন পেলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই।” জুয়েল জানান, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। ২০০৮ সালে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক সাতটি মামলায় তিনি আসামি হন, যার দুটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সঙ্গে তাঁর নাম ছিল। এসব মামলায় তিনি কারাভোগও করেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিলেন, তারাই যেন এবার মনোনয়ন পান- এটাই তৃণমূলের প্রত্যাশা। এলাকার মানুষ পরিচ্ছন্ন ও সক্রিয় নেতৃত্ব চায়।” স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, তানোর ও গোদাগাড়ীতে দলের তৃণমূল কার্যক্রমে কে এম জুয়েল নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে মানবসেবা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠার সংস্কার, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে অংশ নিয়ে তিনি দলের ভেতরে একজন নিবেদিত নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
তানোরের কালিগঞ্জ এলাকার প্রবীন এক বিএনপি কর্মী আফসার আলী বলেন, ‘‘ইঞ্জিনিয়ার কে এম জুয়েল- কাজের মানুষ, কথার নয়। দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, নেতৃত্ব মানে দায়িত্ব ও সাহস। রাস্তাঘাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ- প্রতিটি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে রয়েছে তাঁর নিবেদিত অংশগ্রহণ।’’
তিনি বলেন, ‘‘যেখানে মানুষ কষ্টে, সেখানেই পৌঁছে যায় কে এম জুয়েলর সহায়তার হাত। মানবসেবা ও জনগণের কল্যাণকেই তিনি রাজনীতির মূল লক্ষ্য মনে করেন। তিনি এগিয়ে চলেছেন সততা, সাহস ও দায়িত্ববোধ নিয়ে। গোদাগাড়ী-তানোরে এই জননেতা থাকবেন মানুষের সুখে-দুঃখে, উন্নয়ন ও ঐক্যের প্রতীক হয়ে।’’ তাঁর নেতৃত্বে বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কর্মীরা।


প্রকাশিত: অক্টোবর ১৩, ২০২৫ | সময়: ৩:৩৬ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ