, , ।
রকিবুল হাসান রকি, রাজশাহী :
উত্তরবঙ্গের তিন জেলা রাজশাহী-নাটোর-চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বাস চলাচল নিয়ে ঢাকায় মালিক শ্রমিক বৈঠকের সমঝোতার পরেও রাজশাহী থেকে চালু হয়নি ঢাকার দুরপাল্লার বাস।
নানা দাবিতে রাতের পর সকালেও বাস চলাচলে বাঁধা দিয়েছে শ্রমিকরা। তাতে বন্ধ আছে বাস, ফিরে গেছেন যাত্রীরা, বেড়েছে ভোগান্তি।
এ অবস্থাতেও মঙ্গলবার সকালে নগরীর শিরোইলের ঢাকা বাস কাউন্টার গুলো খোলা ছিলো। ভোরে সেখান থেকে দুটি বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পরে সকাল ৮ টার বাস ছাড়বার প্রস্তুতি নিলে শ্রমিকরা তাতে বাঁধা দেয়। গাড়ী থেকে যাত্রীদের নামিয়ে টিকেট বাতিল করা হয়।
এতে গন্তব্যে যেতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে ঢাকা বাসটার্মিনালের অন্যান্য কাউন্টার গুলো বন্ধ করেন মালিকরা। এতে পঞ্চম দিনের মতো উত্তরবঙ্গের চাঁপাইনবাবগঞ্জ রাজশাহী নাটোর থেকে বাস চলাচল বন্ধ হলো।
অন্য দিকে সোমবার রাত ১১টা থেকে রাত্রি ২টা পযন্ত শিরোইল ঢাকা বাস টার্মিনালে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে রাস্তায় বসে আন্দোলন করেছেন বাস শ্রমিকরা।
গাড়ির মালিকরা বলছেন এ অবস্থায় প্রতিদিন অন্তত চার থেকে ছয় হাজার যাত্রীর ঢাকায় যাতায়াত সমস্যায় পড়ছে আর লোকসান হচ্ছে অন্তত ২৪ লাখ টাকা। এ ঘটনায় সোমবার ঢাকার গাবতলীতে বাস-ট্রাক ওনার্স এয়সোসিয়েশন তিন জেলার পরিবহন শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা বৈঠকে বসেন। তাতে মজুরি বাড়াতে রাজি হয় বাস মালিকরা, ফলে ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী রুটে প্রতি চালক ১ হাজার ৭৫০ টাকা, সুপার ভাইজার ৭৫০ টাকা, হেলপার ৬৫০ টাকা করে পাবে বলে নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ঢাকা কানসাট রুটে চালক পাবেন ১ হাজার ৯৫ টাকা, সুপারভাইজার ৮০০ টাকা এবং হেলপার পাবেন প্রতি ট্রিপে ৭০০ টাকা। পাশাপাশি খাবার খরচ ২১০ টাক থেকে ৯০ টাকা বৃদ্ধি করে ৩০০ টাকা করাহয়। তবে এর সাথে রাজশাহীর শ্রমিকদের একাংশ ঢাকা রাজশাহী রুটের গাড়ি প্রতি তিনটি করে টিকেট ফ্রি দাবি করেছেন যা পুরন না হওয়ায় গাড়ি চলাচলে বাঁধা দিচ্ছেন তারা।
শ্রমিকদের একাংশের নেতা জিয়া জানিয়েছেন, আজ বেলা সাড়ে ১১ টায় নগরীর নওদাপাড়া বাস স্ট্যান্ডে বৈঠকে বসবেন তারা পরে এ নিয়ে জানা যাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
সানশাইন /শামি