বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টাফ রিপোর্টার :
রাজশাহী নগরীর ১৬ নং ওয়ার্ডের বখতিয়ারবাদ মহল্লায় ঈদ পূণর্মিলনী নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১১ জুন) রাত ৮টায় ১৬ নং ওয়ার্ড আটকোষী স্কুল সংলগ্ন মাঠে টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ, তরুণ সমাজ সেবক সাজিদ রওশন ঈশান, দারুসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পবার সিএইচসিপি মোঃ এখলাস হোসেন সেলিম, স্পার্কেল ক্যাজুয়াল এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ তৈয়ব আলী, শিশু কানন একাডেমীর পরিচালক মোঃ শাহ্জান আলী মিঠু,সাংবাদিক মোঃ সোহাগ হোসেন, সার্ভেয়ার রোকন, মোঃ ইউসফ আহম্মেদ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আসমাউল ইসঃ (শাওন)। পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মোঃ শাহ্জালাল উদ্দীন (জনি), মোঃ মোক্তার আলী, রবিন, আশিক, আকাশ, আরিফ, শাহিন, বিজয়, শেখ নিশান। এ টুর্নামেন্টের মোট ১০ টি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনাল ম্যাচে ঈগল ফাইটার ও শ্রমিক ফেডারেশন অংশগ্রহণ করে শ্রমিক ফেডারেশন দল চ্যাম্পিয়ন হয়। পরে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা এবং সম্মানিত আতিথিদের সম্মাননা স্মারক দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ঈদ পূণর্মিলনী নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর আয়োজনে ছিল বখতিয়ারাবাদ যুব সমাজ।
পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, যে কোন প্রকার খেলাধুলা মানুষের শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখে। খেলাধুলার প্রতি কোন কিশোর ও যুবককে আকৃষ্ট করতে পারলে তারা সকল প্রকার নেশা ও মন্দ কাজ থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারবে। পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের বক্তারা আরো বলেন, দেশ আজ নেশা আর মোবাইলের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আছে। যে কোন প্রকার নেশা পরিবার ও সমাজকে বিপদগ্রস্থ করে। তাই প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবকদের উচিত নিজ নিজ সন্তানকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা। খেলাধুলার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে পারলে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায়। যে কোন প্রকার নেশা একজন কিশোর ও যুবককে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে।
আর অন্যদিকে, খেলাধুলা শারিরীকভাবে সুস্থতা প্রদান করে। এছাড়াও সকল প্রকার অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি করতে নেশা অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে। তাই নেশার হাত থেকে নিজেকে ও সমাজকে রক্ষা করতে হলে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। উপস্থিত অতিথীরা সকলের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, সমাজ ও নিজ সন্তানদের বিপদগামীতার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হবে। আগামীর ভবিষ্যত এই কিশোরদেরকে নেশার মতো ভয়ঙ্কর ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে শুধু সমাজই নয়; পুরো দেশ একসময় তলিয়ে যাবে। অপরাধ বৃদ্ধি পাবে প্রতিদিন।
সানশাইন / শামি