সর্বশেষ সংবাদ :

ঈদের আগে ভিজিএফ পাচ্ছেন না চাঁ’নবাবগঞ্জের দুই ইউনিয়নবাসী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: ঈদুল আজহা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ২টি ইউনিয়নের ৮ হাজারের বেশি সুবিধাভোগী ভিজিএফের চাল থেকে বঞ্চিত। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ১২টি ইউনিয়নের কার্ডধারীরা ঈদের আগে চাল বিতরণ করা হলেও গোবরাতলা ও চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত রয়েছেন।
জানা গেছে, গোবতরালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা আর চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির কারণে এখন পর্যন্ত চাল উত্তোলনই করা হয়নি। তবে গোবরাতলার চেয়ারম্যান বলছেন ঈদের পরে নতুন কার্ডে চাল বিতরণ করা হবে।
গোবরাতলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইউসুফ আলী বলেন-৮ জন সদস্যকে তোয়াক্কা না করে চেয়ারম্যান একক ক্ষমতায় অনিয়ম করে ভিজিএফ বিতরণ সংক্রান্ত কমিটি করেন। আমরা গতবছর জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়। চেয়ারম্যান কারো কোনো কথা শোনেন না। ৪ হাজার ২শ টি কার্ডের ভিজিএফ বরাদ্দ আছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম টিপু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন সমস্যার কারণে ঈদের আগে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা গেল না। তবে ঈদের পরেই দেয়া হবে।
তিনি বলেন সদস্যরা আমাকে কোনো সহযোগিতায় করেন না। তারা তালিকাও দিচ্ছে না। আমি তিনবার সভা ডেকেছি, তারা সভাতেও আসেন নি। আমি নির্দেশনা পেয়েছি, নতুন তালিকা করে ঈদের পরে চাল দেওয়া হবে।
সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলম বলেন, সদর উপজেলায় প্রায় ৫৪ হাজার ভিজিএফ কার্ডধারী রয়েছে। ১২টি ইউনিয়নে ইতোমধ্যে বিতরণ চলছে। তবে গোবতরালা চেয়ারম্যানের নেগলেজেন্সির কারণে তালিকা করে উপজেলায় পাঠাতে পারেন নি। কাজেই তিনি চাল তুলতে পারেন নি। ঈদের পরে পাওয়ার সুযোগ নেই, তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করলে পেতে পারেন। চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় না থাকার কারণে সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হলো বলে তিনি মনে করেন।
অন্যদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় তিনি পরিষদে অফিস করতে পারছেন না। এরফলে প্যানেল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে সুবিধা ভোগীরা ঈদের আগে ভিজিএফ চাল থেকে বঞ্চিত হলো।
জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ বলেন, ঈদের পরে এই দুটি ইউনিয়নের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রকাশিত: June 5, 2025 | সময়: 4:10 am | সুমন শেখ