ঈদের বাজার ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট

সাইফুল ইসলাম, গোদাগাড়ী: আসন্ন ঈদুল ফিতরের খুশির জোয়ারে ভাসবে চারদিকে। আর এই ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে গোদাগাড়ীর শপিংমল গুলো এখন জমজমাট। বিভিন্ন পোশাকের দোকানে এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সকাল ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা।
শহর থেকে গ্রামবাংলা পর্যন্ত যে যার সাধ্যমতো মেতে উঠেছে কেনাকাটায়। মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাত এবং গ্রাম-গঞ্জের হাটবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন রকমের আকর্ষণীয় পণ্য কেনাকাটায় জমজমাট ঈদের বাজার। রমজানের ঈদের অন্যতম আকর্ষণ হলো বিভিন্ন রকমের আকর্ষণীয় নামের পোশাক-পরিচ্ছদ, জুতার বাহার, নিজেকে ও প্রিয়জনকে সাজানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রসাধন সামগ্রী, গহনা ও চুড়ি। ধনীদের জন্য স্বর্ণালঙ্কার পছন্দনীয় হলেও অপেক্ষাকৃত মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও দরিদ্রদের জন্য ফুটপাতের গহনা ও কাঁচের চুড়ি পছন্দনীয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
পোশাকের দোকানগুলোতে ভিড় বেশি হলেও জুতা, প্রসাধনী ও কাপড়ের দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের কমতি নেই। বাহারি রং আর নকশার পোশাকে সেজেছে দোকানগুলো। ক্রেতারাও তাদের পছন্দের পোশাক খুঁজে নিতে ব্যস্ত।
মহিশালবাড়ি মহল্লার ছবি আক্তার জানান, অন্যান্য জিনিসের পাশাপাশি কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়েছে।
স্কুল শিক্ষিকা ডালিয়া নামের আরেক ক্রেতা বলেন, ‘ঈদের কেনাকাটা করতে এসে খুব ভালো লাগছে। তৈরি কাপড়ের দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।
পদ্মা গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী শরিফুল জানান, দিন যত যাচ্ছে, ক্রেতাদের ভিড় তত বাড়ছে। কিছুটা কম পাওয়ার আশায় ঈদের আগেভাগে অনেকেই কেনাকাটা সেরেছেন। মার্কেটে বর্তমানে বেচাকোনার প্রচুর চাপ। এ বছর টি-শার্ট, সুতির পাঞ্জাবি ও জিনসের প্যান্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে; পাশাপাশি নারীদের শাড়ি ও মেয়েদের বিভিন্ন থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে।
ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মার্কেট গুলোতে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।


প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৫ | সময়: ৩:২১ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ