, , ।
স্টাফ রিপোর্টার,বাঘা:
চাপাইনবাবগঞ্জের এক নারীকে মোবাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরে নিয়ে পাঁচ যুবক পালাক্রমে ঐ নারীকে ধ*র্ষ*ণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদি হয়ে বাঘা থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার মুল নায়ক শফিকুল ইসলাম (৩৮) কে আটক করেছে পুলিশ। শফিকুল ইসলাম পাশ্ববর্তী নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মৃত তফের আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চাপাইনবাবগঞ্জের ডিভোর্সী এক নারীর সাথে শফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক হয়। শুক্রবার বিয়ে করবে বলে শফিকুল ইসলাম ঐ নারীকে তার নিজ এলাকা লালপুরে আসতে বলে। অতঃপর শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে শফিকুল ইসলামের কাছে পৌঁছায় ঐ নারী। এরপর শফিকুল ইসলাম তার আরো ৪ বন্ধুকে ডেকে ঐ নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে পাশ্ববর্তী বাঘা উপজেলার পদ্মার চরে নিয়ে যান।
এদিকে পদ্মার চরে নিয়ে যাওয়ার সময় ঐ নারী শফিকুলকে বলে, আমাকে ফাঁকা জায়গায় মাঠের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছেন কেন ? তখন শরিফুল জানায়, এই ফাকা জায়গা পার হলে সামনে চকরাজাপুর ইউনিয়ন। আমরা সেখানে গিয়ে এক আত্নীর বাড়িতে তোমাকে বিয়ে করবো। এ কথা বলার কিছুক্ষণ পর পদ্মার চরের মধ্যে খানপুর-চাঁনপুর মাঠের মধ্যে পৌছালে একটি ফাঁকা জায়গায় ৫ বন্ধু মিলে ঐ নারীকে রাতভর গণধ*র্ষ*ণ করে। ঘটনার এক পর্যায় ঐ নারী কোন উপায় না পেয়ে পরদিন শনিবার সকালে বাঘা থানায় উপস্থিত হয়ে শফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামী করে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
তবে বাঘা থানা পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে বিষয়টি আমলে নেন এবং বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ ঘটনার মুল নায়ক ও প্রধান আসামী শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ খবর শুনে পুলিশকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্থানীয় লোকজন।
এ বিষয়ে বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ইনেসপেক্টর-তদন্ত) সুপ্রভাত মন্ডল বলেন, একজন নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পরে আমরা মুল আসামী শফিকুলকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করেছি। আদালতের বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। একই সাথে আমরা ভুক্তভুগী নারীকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)তে ভর্তি করেছি।
সানশাইন/রাজ