বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে নাশকতা ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম কেন চালানো হলো, প্রশ্ন রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি জানি না কী অপরাধ হয়েছে আমাদের। যে ইস্যুটা নেই, সেটা নিয়ে আন্দোলনের নামে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালিয়ে কে কী অর্জন করল সেটাই প্রশ্ন আমার।
আজ বুধবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমি কোন দিনও ভাবতে পারিনি এই সময়ে এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। কত গুলো তাজাপ্রাণ ঝরে গেল। সেগুলোতো আর ফিরে পাওয়া সম্ভাব নায়। স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে আমি বেঁচে আছি। আমি জানি আপনজন হারালে কী কষ্ট হয়। মানুষ একটা শোক সইতে পারে না, আর আমি তো সবাইকে হারিয়ে বেঁচে আছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব আজ বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখে। সেই দেশে আবার রক্ত ঝরবে, কেন এই রক্ত ঝরা। আজকে আমরা যাদের হারিয়েছি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। যারা স্বজন হারিয়েছেন তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাই।
তিনি আরও বলেন, আমার কাছে ক্ষমতা তো ভোগের বস্তু না। আমি তো আরাম-আয়েশ করার জন্য ক্ষমতায় আসিনি। আমি দিনরাত পরিশ্রম করেছি বাংলাদেশকে উন্নত করার জন্য। আজকে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এই মর্যাদা কেন নষ্ট করা হলো, সেটার বিচার কার ভার আমি দেশবাসীর হাতে তুলে দিচ্ছি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদক হিসেবে ছিল ৬টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য ও ৮টি ব্রোঞ্জ পদক দেওয়া হয়েছে।