বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
ইমাম হোসেন, ডিজিটাল :
রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে খারাপ ও খাওয়ার অনুপযোগী চাল পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে খাদ্য বিভাগ। তারই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার খাদ্য গুদাম গুলোতে চলছে সংশ্লিষ্টদের পরিদর্শন, গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। দুর্গাপুরের পর বাগমারার ৪টি চাউলের গোডাউন সিলগালা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির একটি দল পুঠিয়া উপজেলার দুটি খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে আসেন। এ সময় সাংবাদিকদের সেখানে থাকতে নিষেধ করে দেন ওই টিমের প্রধান খাদ্য পরিদর্শক ও আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি। পাশাপাশি তাদের পরিদর্শনের ছবি ভিডিও তুলতে চাইলে তাতেও অসম্মতি জানায় পরিদর্শনকারীরা। এখন প্রশ্ন উঠেছে গোপনীয়তা রক্ষা করে চাউলের গোডাউন পরিদর্শন করা লাগছে কেন, খাদ্য কর্মকর্তা কর্মচারীর। তবে কি কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে নাকি অন্য কিছু। এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে পুঠিয়ার সাধারণ মানুষের মাঝেও।
এর আগে রোববার ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে চালের ওই গোডাউন দুটি পরিদর্শন করেন পুঠিয়া উপজেলা কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস। সে সময় দেখা যায় কোথাও ভালো আবার কোথাও খারাপ চাউল রয়েছে। দুটি গোডাউনের পুঠিয়া তাহেরপুর সড়কের পাশে যে গোডাউনটি রয়েছে সেখানে খারাপ চাউলের দেখা মিলেছে। যার সত্যতাও স্বীকার করেছেন, সেখানে দায়িত্বে থাকা গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, এছাড়াও উপজেলা (ভূমি) কমিশনার শিবু দাস তিনিও জানান সেখানে কিছু খারাপ চাউল রয়েছে, তাছাড়াও সবকিছুই সন্তোষ জনক আছে। চালগুলো দ্রুত পরিবর্তন করার কথাও বলা হয়েছে।
পুঠিয়া গোডাউন (এলএলএসডি)র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবারক হোসেন তিনি বলেন, কিছু চাউল খারাপ পাওয়া গেছে তবে গোডাউনের অধিকাংশ চাউল এর মান ভালো আছে। কাঠবিড়ালি যেগুলো বস্তা কেটে ফেলেছে সেগুলোর চাউলের আর্দ্রতার অভাবে খারাপ হয়েছে।
জেলা খাদ্য বিভাগের সহকারী উপ-পরিচালক, বিকাশ চন্দ্র বলেন, এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে তারা কাজ করছেন। নিম্নমানের চাউল কেনার কথা নয়। যদি কেউ এসব করে থাকে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সানশাইন /শামি