, , ।
স্টাফ রিপোর্টার :
ইংলিশ অলিম্পিয়াডে গোল্ড মেডেলিস্ট হওয়া ইকরা ইন্টারন্যাশনাল একাডেমিয়া স্পোকেন ইংলিশের শিক্ষার্থী সাঈদ ইবনে ত্বাকিকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপশহর দড়িখরবোনা মোড়স্থ উক্ত প্রতিষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
গত জুন মাসের ২১ তারিখ থেকে ২৭ তারিখ লন্ডনে ইংলিশ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ থেকে ১১ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় ৯ জন গোল্ড ও ২ জন সিলভার মেডেল লাভ করেন। রাজশাহী বিভাগ থেকে একমাত্র প্রতিযোগী হিসেবে উক্ত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নিয়ে গোল্ড মেডেল লাভ করেন।
ত্বাকি উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও প্রধান প্রশিক্ষক বাদশা আলমের কাছে ৭ম শ্রেণী থেকে প্রশিক্ষণ করছে। ত্বাকি বর্তমানে মসজিদ মিশন একাডেমিতে ১০ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত।
সম্মাননা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ত্বাকি গর্বিত মা, ছোট ভাই ও খালামনি।
ত্বাকির মা জানান, গত তিন বছরের পরিশ্রম স্বার্থক হয়েছে। এই সাফল্য তাঁর সন্তানের প্রতিদিনের পরিশ্রমের ফসল। বাদশা স্যার আমার সন্তানের পেছনে অন্তত ২ ঘন্টা করে সময় দিয়েছে। আমি ও আমার পরিবার তার কাছে কৃতজ্ঞ।
ত্বাকি জানান, ইংরেজিতে ভালো করতে হলে অবশ্যই প্রচুর প্র্যাকটিস করতে হয়। মাসের পর মাস লেগে থাকতে হবে। কোর্সগুলো অন্তত তিন থেকে চারবার করা উচিত। বাদশা স্যার যেভাবে আমাকে সাপোর্ট করেছেন আমিও চেষ্টা করেছি নিজেকে প্রস্তুত করতে। লন্ডনে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরতে পেরেছি এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া। সামনের দিনগুলোতে অন্যান্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের নাম আরো উজ্জ্বল করতে পারি সেজন্য তিনি দোয়া চেয়েছেন সকলের কাছে।
ইকরা ইন্টারন্যাশনাল একাডেমিয়াতে অসাধারণ স্পোকেন ইংলিশের কোর্স করানো হয়। কয়েকবার করার ফলে আজ আমি এতদূর আসতে পেরেছি। বাদশা স্যার ও প্রতিষ্ঠানের সকলের সম্মলিত আন্তরিক প্রচেষ্টার কারনে আমার এই সফলতা বলতে পারি।
ত্বাকির প্রশিক্ষক বাদশা আলম জানান, আমি শুধু তার পাশে থেকেছি। পুরো চেষ্টাটাই ছিল ত্বাকি ও তাঁর বাবা বিশেষ করে মায়ের। যেখানে অনেক শিক্ষার্থী ৩/৪ মাসেই হাল ছেড়ে দেন সেখানে গত তিন বছরে একবারও ত্বাকিকে বিরক্ত হতে দেখিনি।
ইকরা ইন্টারন্যাশনাল একাডেমিয়ার প্রধান সাংবাদিক শাহজাদা মিলন জানান, পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই। কেউ আগে কেউ বা পরে। আমরা প্রতিটি শিক্ষার্থীদের নিজ সন্তানের মতো ভেবেই ক্লাস নিই। এখানের শিক্ষার্থীরা নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে ইকরা ইন্টারন্যাশনালকে। বর্তমানে স্পোকেন ইংলিশ, আইএলটিএস ছাড়াও একাডেমিক গণিত, ইংরেজি, পদার্থ, রসায়ন, পড়ানো হয় বলে জানান তিনি।
সানশাইন /শামি