জুলাই আন্দোলনে শহীদ তারেক গুলিবিদ্ধ হয়েছিল ৫ আগস্ট

গোমস্তাপুর প্রতিনিধি: জুলাই আগস্টের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট বিকেলে ঢাকার শেরেবাংলানগর এলাকায় বিজয় মিছিল করার সময় গুলিবিদ্ধ হন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নের দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছোট ছেলে তারিক হোসেন (১৮)।
ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতবছরে ৯ আগস্ট সে মারা যায়। পরের দিন ১০ আগস্ট তাকে গ্রামের বাড়ি উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নে দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামে মহানন্দা নদীর তীরে তাকে দাফন করা হয়। সেদিনের স্মৃতিচারন করতে গিয়ে শহীদ তারেকের পিতা আসাদুল ইসলাম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় পাড়ি জমান তিনি। ছোট ছেলে তারেককে নিয়ে একটি অস্থায়ী ফার্নিচারের দোকান চালু করেন তিনি। ঢাকায় আশ্রয় ও দোকান তৈরিতে সহায়তা করেন ঢাকায় কর্মরত এলাকার এক পুলিশ কর্মকর্তা।
জুলাই-আগস্টের উত্তাল ওই দিনগুলোতে কাজের ফাঁকে ফাঁকে তারেক মিছিল মিটিংগুলোতে অংশ নিত। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর বিকেলে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে যখন বিজয় মিছিল বের হয় তখন সে ঢাকার শেরেবাংলানগর এলাকায় বিজয় মিছিলে অংশ নিতে গেলে পুলিশের গুলিতে গুরুত্বর আহত হয়।
তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতবছরের ৯ আগস্ট সে মারা যায়। পরের দিন ১০ আগস্ট এলাকার সেই পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় তার লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেই পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে শুরু থেকেই নানাভাবে সহযোগিতা করেছিলেন।


প্রকাশিত: আগস্ট ৫, ২০২৫ | সময়: ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ