বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
সানশাইন ডেস্ক: মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে জঙ্গি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনার পর ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে চার রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ‘ঐক্যবদ্ধ থাকার’ আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা বলেছেন, আগের মতই মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকারকে ‘কঠোর’ হতে বলেছেন। প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় মঙ্গলবার রাতের এ বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও বিএনপি এবং এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেন। তবে বৈঠক শেষে তারা সাংবাদিকদের সামনে কোনো কথা বলেননি। প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আমরা চারটা দলই বলেছি—বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি—সবাই আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে বলেছি যে আমরা অবশ্যই সরকারের পাশে অতীতেও ছিলাম, এখনো আছি, সামনেও ইনশাআল্লাহ এই সরকারের পাশে থাকব।” আর জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, “জামায়াতে ইসলামী সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এবং সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকার নির্বাচিত হলে তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক হবে। আমরা সরকারকে পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেব ইনশাআল্লাহ।’’ মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ বঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে তাহের ছাড়াও দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ উপস্থিত ছিলেন। এনসিপির পক্ষে ছিলেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষে গাজী আতাউর রহমান ছাড়াও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান, জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার এবং তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমকে নিয়ে ব্রিফিংয়ে আসেন আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, আপনাদের মধ্যে যে ঐক্য আছে, সেটা আরেকটু দৃশ্যমান হলে ভালো হয়। গঠনমূলক কোনো কর্মসূচি দিয়ে হোক, অথবা যেকোনো ভাবে হোক, আপনার যদি একসাথে থাকেন, তাহলে মানুষের মনে স্বস্তি আসবে। “ঐক্যের প্রমাণ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলো উপস্থাপন করে যে, মাঠে উনারা নিজেদের মধ্যে যাই বলুন না কেন, প্রধান উপদেষ্টা ডাকলে সবাই একসাথে হাজির হন। ঐক্য থাকার আরেকটা প্রমাণ হচ্ছে যে দলগুলো জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের মিটিংয়ে নিয়মিত যাচ্ছে।” বৈঠক শেষে রাত ১১টার দিকে ব্রিফিংয়ে এসে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে প্রধান উপদেষ্টা চারটি রাজনৈতিক দলকে ডেকেছিলেন। “আজকের আলোচনা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল বলেছে, ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যের প্রশ্নে তাদের মধ্যে কোনো মতভিন্নতা নেই। “দলগুলোর কোনো কোনোটি বলেছে- ‘রাজনীতির প্রশ্নে মাঠে আমরা একে অন্যের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারি। এর মানে এই নয় যে তারা আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তারা আমাদের রাজনৈতিক সহযোগী। রাজনীতির মাঠে মাঝে মাঝে এরকম কিছু কথা বলা হবে।” রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার ক্ষেত্রে আমরা যেন আরও শক্ত অবস্থান নিই। এক্ষেত্রে আমাদের কিছুটা ঘাটতি আছে, এটা উনারা বলেছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- নির্বাচন প্রক্রিয়ার দিকে আমাদের সুষ্ঠুভাবে অগ্রসর হওয়া উচিত।” প্রধান উপদেষ্টার ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী’ ঐক্যের ডাকে দলগুলো পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে দাবি করে আসিফ নজরুল বলেন, “দলগুলো একটা বিষয় খুব জোর দিয়ে বলেছে, ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো হতাশা বা দুশ্চিন্তা থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। “দলগুলো একটি বিষয় বলার চেষ্টা করেছে, নিষিদ্ধ দল, ফ্যাসিস্টদের সহযোগীরা মাঝেমধ্যে দেশের এখানে সেখানে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। উনারা আমাদেরকে বলেছেন প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নিতে। আমরা উনাদেরকে বলেছি, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যটা মাঠে আরও বেশি দৃশ্যমান করুন।” বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘’প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সোমবার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনায় জাতির হৃদয় বিদীর্ণ হয়েছে এবং সেখানে নিহত শিশুদের পরিবারে যথাযথ সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে আর আহতদের পূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘’আগামীকাল (বুধবার) ছাত্রদের পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হবে। রাজনৈতিক দলগুলো পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন হলে মাঠে কর্মসূচি দেব। সেই অনুযায়ী আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।’’ ‘বাংলাদেশে ‘ফ্যাসিবাদের কোনো স্থান হবে না’ মন্তব্য করে এই জামায়াত নেতা বলেন, “পুরনো ফ্যাসিবাদ নির্মূল হয়েছে। নতুন ফ্যাসিবাদ গজাতে দেওয়া যাবে না। ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য অটুট থাকবে এবং দেশের প্রতিটি স্থানে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।’’ তবে মঙ্গলবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত আরও আগে ঘোষণা করার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করে জামায়াতে ইসলামী। তাহের বলেন, ‘’সেটাকে সামনে রেখে কোনো কোনো দুষ্টচক্র পরিবেশ ঘোলাটে করার চেষ্টা করেছে।’’ দেশে ‘পরিকল্পিতভাবে’ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা চলছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “গোয়েন্দা ও প্রশাসনিক কিছু দুর্বলতা রয়েছে। এসব দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। সরকারের উচিত প্রশাসনকে আরো কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে সমন্বয় থাকে। যাতে যেকোনো ঘটনা ঘটার আগেই সঠিক তথ্য পাওয়া যায়।’’ তিনি বলেন, “‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিউর’–অর্থাৎ প্রতিরোধই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা, সেই কারণে সরকারের উচিত প্রিভেনশনকে আরও শক্তিশালী করা।’’ ইউনূস বৈঠকে কী বার্তা দিয়েছেন, সে প্রসঙ্গে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘’প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন, উপদেষ্টা পরিষদসহ সকলে মিলে কঠোর মনোভাব নিয়ে কাজ করবেন এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন।’’ জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে, তাই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’’ নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে তাহের বলেন, ‘’কোনো কোনো মহল থেকে বলা হচ্ছে, সংস্কারের কথা বলে নির্বাচনকে বিলম্ব হচ্ছে কিনা, আমরা মনে করি এমন ষড়যন্ত্র হচ্ছে না। এক্ষেত্রে সংস্কারগুলো উনারা মেনে নিয়ে তাড়াতাড়ি যড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিতে পারেন। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এসে ইসলামী আন্দোলনের আতাউর রহমান বলেন, ‘দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে’ প্রধান উপদেষ্টা হঠাৎ করেই এ ‘জরুরি’ বৈঠকে তাদের আমন্ত্রণ জানান। আলোচনার বিষয়বস্তু তুলে ধরে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গতকাল থেকে আজকে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তিনি (ইউনূস) বলেছেন যে পরাজিত শক্তি, বিশেষ করে ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা, বিভিন্নভাবে চাচ্ছে এই পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার জন্য এবং পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যাতে দেশে একটি অস্থিরতা তৈরি করা যায়, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো যায়, রিউমার ছড়ানো যায়। ‘’মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—যাতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্য-সংহতি অটুট থাকে এবং রাজনৈতিকভাবে যাতে আগামীতে ফ্যাসিবাদী শক্তি কোনো সুযোগ নিতে না পারে। এজন্য যাতে সব ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ বা বিরোধ না থাকে।’’ আতাউর রহমান বলেন, ‘’আমরা বলেছি, রাজনৈতিক দল হিসেবে একেক দলের একেক রকম বক্তব্য থাকবে, সমালোচনাও থাকবে। সামনে যেহেতু নির্বাচন হবে, নির্বাচনের আগে একদল অন্য দলের বিরুদ্ধে সমালোচনা করবে, এটা স্বাভাবিক। “কিন্তু আমরা একটা প্রশ্নে সবার মধ্যে একমত, সেটা হল—আওয়ামী ফ্যাসিবাদ যাতে আবার পুনর্বাসিত হতে না পারে, তারা যাতে দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, দেশের বিরুদ্ধে কোনো রকম তৎপরতা চালাতে না পারে, এই ব্যাপারে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি।’’ মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পোছনে আওয়ামী লীগের হাত ছিল– এমন সন্দেহ প্রকাশ করে আতাউর রহমান বলেন, ‘’আমরা একটা বিষয়ে বিশেষভাবে ইঙ্গিত করেছি, স্পষ্টভাবে, সেটা হল—বারবার আমরা দেখছি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বাংলাদেশ সচিবালয়, যেটা সেক্রেটারিয়েট, এই সেক্রেটারিয়েট বারবার আক্রান্ত হচ্ছে। “এটা কেন হচ্ছে? অতীতে যে সমস্ত রাজনৈতিক সরকার ছিল, তখন তো এভাবে সচিবালয় আক্রান্ত হত না। এখন এই সরকারের আমলে আমরা দেখলাম, বেশ কয়েকবার সচিবালয় অরক্ষিত। সচিবালয় এভাবে অরক্ষিত কেন থাকে? এখানে কি গোয়েন্দা ব্যর্থতা আছে? নাকি প্রশাসনিক কোনো ব্যর্থতা আছে? আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতা আছে কি না—এই বিষয়টি গভীরভাবে সরকার যেন অনুসন্ধান করে দেখে, এই ব্যাপারে আমরা জোরালোভাবে কথা বলেছি।’’ তিনি বলেন, ‘’আরেকটা বিষয় হল, আগামী জাতীয় নির্বাচন। আগামী জাতীয় নির্বাচনে তো আমরা যে রাজনৈতিক দলগুলো আছি, এই সব রাজনৈতিক দলগুলোই আবার নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রচারণায়, সমালোচনায় এবং ক্যাম্পেইনে মাঠে নামবে। অতএব সরকারকে তখন শুধু আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা নয়, বরং আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকেও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। “এজন্য আমরা বলছি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে হবে এবং প্রশাসনিকভাবে সরকার যেন মজবুত হয়, আরও কঠোর হয় এবং সবকিছু কঠিনভাবে দমন করে।’’ প্রশাসনে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে এখনো ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ কেউ আছে কি না খুঁজে দেখার তাগিদ দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, “গোপালগঞ্জে আমরা যেটা দেখলাম, সেখানে টোটালি গোয়েন্দা ব্যর্থতা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা তো আছেই। এই জাতীয় ঘটনা অন্যান্য জেলায়ও সামনে ঘটতে পারে। “এজন্য আমরা বলেছি প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে। সরকারকে আরও মজবুতভাবে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে, সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে।’’ আগামীতে যাতে একটা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, সে ব্যাপারে বৈঠকে ‘সবাই একমত হয়েছে’ মন্তব্য করে আতাউর রহমান বলেন, “সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জন্য আমরা সবাই একযোগে কাজ করব—এই ব্যাপারেও আমরা সবাই একমত হয়েছি।’’