বাঘায় ৮৮৫ প্রান্তিক জেলের মধ্যে ভাগ্য খুলল ১৬ জনের

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা: ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছেন বর্তমান অন্তবর্তীকালিন সরকার। এ উপলক্ষে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে রাজশাহীর বাঘা সীমান্ত এলাকার নদী বিধৌত ৮৮৫ জন প্রান্তিক জেলের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ১৬ জনকে দেয়া হয়েছে একটি করে বকনা বাছুর। রবিবার সকালে এই বাছুর বিতরণ করেন বাঘা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবিহা সুলতানা ডলি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তহুরা হক জানান, মৎস্য শিকার নিষিদ্ধ সময়ে বেকার জেলেরা যাতে বিকল্প কর্মসংস্থানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন, সেই লক্ষে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে এই উপকরণ বিতরণ করা হয়।
তিনি আরও জানান, মনিগ্রাম ইউনিয়ন ও পাকুরিয়া ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে লটারির মাধ্যমে ১৬ জনকে বকনা বাচুর উপহার দেয়া হয়েছে। খুব শিঘ্রই চকরাজাপুর ও গড়গড়ি ইউনিয়নে একই নিয়মে বাছুর বিতরণ করা হবে। তার দেয়া তথ্য মতে, বাঘার চারটি ইউনিয়নে ৮৮৫ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছে।
এই বাছুর বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন, বাঘা উপজেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনসুর আলী, রাজশাহী জেলা মৎস্যজীবি দলের সাধারণ সম্পাদক মামুন আল হক, বাঘা পৌর মৎস্যজীবি দলের সভাপতি হামিদুল হক, সমাজ সেবক আব্দুস সামাদ ও আব্দুস সাত্তার সহ উপজেলা মৎস্যজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে যারা বাছুর পাননি তারা কিছুটা মন খারাপ করলেও যারা পেয়েছেন তাদের একজন অরুণ হলদার তার অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, লটারীতে প্রথমেই আমার নাম উঠেছে, এটা আমি স্বপ্পেও কল্পনা করিনি। আমি বাছুরটা পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি । এই বাছুর গরুটা বড় হলে দুধ বিক্রি ও বংশ বিস্তারের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে। এতে করে আমাদের সংসারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। তিনি জেলেদের মাঝে বাছুর বিতরণের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।


প্রকাশিত: মে ১৯, ২০২৫ | সময়: ৩:৪১ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ