, , ।
স্টাফ রিপোর্টার :
রাজশাহীর পবার হড়গ্রাম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পূণর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীন করা হয়েছে অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের তাবেদারী ও হুকুম শোনার জন্য নয়। কারণ রাজনৈকি নেতৃবৃন্দ আইন প্রণয়ন করেন আর তা বাস্তবায়ন করেন সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। দেশ কিভাবে চলবে তা জনগণ ও রাজনৈতিক দল সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানগণ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের ডেকে বিভিন্ন ধরেনের নির্দেশনা প্রদান করছেন। এটা কোনভাবে রাজনৈতিক দল ও জনগণ মেনে নেবেনা। ঐ আমলা ও পতিত সরকারের দোসরদের হুকুম শোনার জন্য ছাত্র-জনতা আবার দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেনি। ১৯৭১ সালে একবার যুদ্ধ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত দেশকে স্বাধীন করা হয়েছিলো। তেমনি স্বৈরাচারকে হটিয়ে আবারও দেশকে স্বাধীন করা হয়েছে। এখন একটি সুন্দর দেশ বিনির্মানে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা আবারও ভারতে বসে থেকে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিš‘ এই ষড়যন্ত্র কোনভাবেই গ্রাহ্য করা হবেনা। সকল ষড়যন্ত্র এ দেশবাসী রুকে দেবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, আয়না ঘরের নির্যাতনকারী সেনা অফিসার আরামে হাজতে বসে আছেন। তাঁকে কোন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। অথচ পতিত সরকারের আমলে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের আটকের পর থেকে শুরু হোত নির্যাতন। অকারনে মিথ্যা মামলায় বার বার রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হতো। তিনি বলেন, ৫আগস্ট হাসিনাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে সেনা প্রধান। এখন আবার তিনি কিসের আলামত দিচ্ছেন। তিনিকি আবারও খুনি হাসিনাকে পুনর্বাসন করার চিন্তা করছেন কি বলে প্রশ্ন করেন মিলন।
মিলন আবারও হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন, এখনো সময় আছে এসকল আমলা ও প্রশাসনের লোকদের রোধ করার। আর এই কাজটি অন্তবর্তীকালীন সরকারকেই করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সেইসাথে আর সংস্কার সংস্কার করে নির্বাচন না পিছিয়ে দ্রুত সংসদ নির্বাচন দেয়ার জন্য এই সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পরে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
হড়গ্রাম ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সাইনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সামাদ্দিন বুড়ার ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আলীর সঞ্চালনায় রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শওকত আলীসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগনেরে অন্যান্য নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
সানশাইন/শামি