বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টফ রিপোর্টার: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ ও ৫ দফা দাবিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দ এবার তিনদিনের কমপ্লিট শাট ডাউন এর ঘোষণা দিয়েছেন।
তাদের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (৯ মার্চ) বেলা ১২ টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে তারা বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভ শেষ রাজশাহী মেডেকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যন্সেলর বরাবর ৫ দফা দাবি উল্লেখ করে একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন।
তাদের দবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, এসবিবিএম/বিডিএস ব্যতীত কেউ “ডাক্তার” লিখতে পারবে না উক্ত আইনের বিরুদ্ধে করা বিএমডিসি এর বিরুদ্ধে করা রিট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে ও ইগউঈ রেজিস্ট্রেশন শুধুমাত্র এসবিবিএম/বিডিএস ডিগ্রিধারীদের দিতে হবে। ২০১০ সাল থেকে হাসিনা সরকার ম্যাটসদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া শুরু করেছে, এই ম্যাটসদের বিএমডিসি থেকে রেজিস্ট্রেশন দেয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওটিসি ড্রাগ লিস্ট আপডেট করতে হবে। এমবিবিএস ও বিডিএস ছাড়া অন্য কেউ ওটিসি লিস্ট এর বাইরে ড্রাগ প্রেসক্রাইব করতে পারবেনা। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিগুলো ওটিসি লিস্ট এর বাইরে কোন ওষুধ বিক্রি করতে পারবে না।
স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসকের সংকট নিরসনে। দ্রুত ১০ হাজার জন ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে সকল শূন্য পদ পূরণ করতে হবে, আলাদা স্বাস্থ্য কমিশন গঠন করে পূর্বের মতো ষষ্ঠ গ্রেডে নিয়োগ দিতে হবে। প্রতিবছর ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্যখাতের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ডাক্তারদের বিসিএস এর বয়সসীমা ৩৪ বছর করতে হবে।
সকল মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট স্কুল ও মানহীন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ সমূহ বন্ধ করে দিতে হবে। ইতোমধ্যে পাশ করা ম্যাটস্ শিক্ষার্থীদের এসএসিএমও পদবী রোহিত করে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুনভাবে ম্যাটসে এ ভর্তি বন্ধ করতে হবে। ম্যাটস স্টুডেন্টদেরকে প্যারামেডিকস এ প্রবেশ দিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে ম্যাটস বন্ধ করতে হবে।
চিকিৎসক সমাজের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সকল চিকিৎসককে আগামী ১০ মার্চ থেকে চলমান আন্দোলন অংশগ্রহণ ও ১২ মার্চ থেকে প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধের আহবান জানানো হচ্ছে।
আন্দোলনরত ইন্টার্ন ডাক্তারদের প্রতিনিধি ডা: আব্দুল্লাহ বলেন, আগামী ১২ তারিখ আমাদের দাবি না মানলে, কঠোর কর্মসূচি হিসেবে জরুরী বিভাগের সেবা, বর্হির বিভাগের সেবা এবং প্রাইভেট প্যাকটিস বন্ধ করতে বাধ্য হবো বলে জানান।