বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
মোঃ তারেক রহমান
স্টাফ রিপোর্টার:
মায়ের ওষুধ কিনতে বেলুন বিক্রি শিরোনামে গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সেই শিশু বেলুন বিক্রেতা রবিউল ইসলাম মামুনের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের কর্মী মো: আনাস মোল্লা।
শুক্রবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর আসাম কলোনী এলাকায় মামুনের ভাড়া বাসায় তিনি গিয়ে আর্থিক সহায়তা করেন।
এছাড়াও ছাত্রলীগ কর্মী আনাস মোল্লা মামুনের মা রহিমা বেগমের হাতে কয়েক মাসের খাবার, শিক্ষা উপকরণ ও মা ছেলের জন্য নতুন জামা কাপড় ও নগদ অর্থ তুলে দেন।
আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী পেয়ে দারুণ খুশি মামুন ও তার অসুস্থ মা রহিমা বেগম।
তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মামুনের জন্য সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস পেলেও তেমনভাবে এখন পর্যন্ত কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। তবে ছাত্রলীগ কর্মী আনাস মোল্লা আমার ও আমার সন্তানের জন্য আজ উপহার সামগ্রী নিয়ে এসেছে। এই ঋণ কোনদিনই শোধ করতে পারব না। তবে তার জন্য দোয়া করবো।
উপহার সামগ্রী নিয়ে আসা রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের কর্মী আনাস মোল্লা বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশের পরই আমার নজরে আসে।তখন থেকে আমি সিদ্ধান্তনি ওই পরিবারের পাশে দাঁড়াবো। এজন্য আমার লেখাপড়া করার খরচের একটি অংশ রেখে দিয়েছিলাম মামুনের জন্য। আজ সেটি তুলে দিলাম।
তিনি আরো বলেন,ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ভাই সব সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বলেন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়াতে, তাই ছোট্ট পরিসরে মামুনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পেরে আজ আমি আনন্দিত।
উল্লেখ্য, ৯ বছর বয়সে কাঁধে সংসারে বোঝা তুলে নিয়েছেন শিশু মামুন। মায়ের অসুস্থতার কারণে সাত বছর আগে বাবা ছেড়ে গেলেও সংসারের দায়িত্ব নিতে পিছপা হননি ছোট্ট এই শিশুটি।
একবেলা পড়াশোনা করে নেমে যান বেলুন বিক্রির কাজে। সেই টাকা দিয়ে মায়ের ওষুধ কেনার পাশাপাশি করেন সংসারে বাজার। এমন অর্থ কষ্টের অভাবের মধ্য দিয়ে চলছে মা ছেলের সংসার।