, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর হেতেমখাঁ বড় মসজিদ থেকে বর্ণালী মোড় পর্যন্ত সড়কের উন্নয়নকাজ শেষ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দা ও রিকশাচালকদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সড়কটির উন্নয়নকাজ শেষ হয়েছে।
বুধবার সড়কটির কার্পেটিং ও সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। এ সময় তিনি সড়কের উন্নয়নকাজের গুণগত মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং কাজের অগ্রগতি ও বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে সড়কের কার্পেটিংয়ের শেষ পর্যায়ের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা এবং গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান ইমন ও নিলুফার ইয়াসমিনসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল হেতেমখাঁ বড় মসজিদ থেকে বর্ণালী মোড় পর্যন্ত সড়কটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন রাসিক প্রশাসক। সে সময় নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে বন্ধ থাকা উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের নির্দেশনা দেন তিনি। তাঁর নির্দেশনার পর সড়কটির উন্নয়নকাজ শেষ হলো। সড়কটির কাজ শেষ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা ফায়সাল আহমেদ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বর্ণালী মোড় থেকে হেতেমখাঁ বড় মসজিদ পর্যন্ত সড়কটির কাজ বন্ধ ছিল। এতে আমাদের চলাচলে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজটি দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেন। সড়কটির কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আমরা অনেক খুশি। তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।” রিকশাচালক আজিজুল ইসলাম বলেন, “সড়কটি দীর্ঘদিন খারাপ অবস্থায় পড়ে ছিল। রিকশা চালানোর উপযোগী ছিল না। যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হতো, রিকশারও ক্ষতি হতো। এখন সড়কটির কাজ শেষ হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি। যাত্রী নিয়ে সহজে চলাচল করতে পারব।” স্থানীয় বাসিন্দা রহিম বলেন, “একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজ দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় এলাকাবাসীকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কাজ শেষ করেছেন। তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।”