শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
নাচোল প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সরকারী জায়গায় পাকা ইমারত নির্মাণের অভিযোগ। জানাগেছে, নাচোল ইউনিয়নের ঝিকড়া মৌজার ৫৯৪ দাগের সরকারী খাস পুকুর প্রায় ৩ শতক মাটি ভরাট করে ও ৬০০ দাগের সরকারী পাকা রাস্তা কিছু অংশ দখল করে এবং ৫৯৫ দাগের ঝিকড়া গ্রামের জিল্লুর রহমানের বিবাদমান ৩ শতক জমি জবর দখল করে ইট দিয়ে পাকা ঘরবাড়ি নির্মাণ করছে ঝিকাড়া গ্রামের মৃত বাবুল শেখের ছেলে আখের আলী। যা বেআইনি ও অবৈধ।
বিষয়টি এলাকাবাসী প্রশাসনকে জানালে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে আসলেও পরবর্তী তারা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পুনরায় ঘরবাড়ি নির্মাণ করছে। একই গ্রামের ভূক্তোভূগি জিল্লুর রহমানের ছেলে আব্দুল জলিল বলেন, ঝিকড়া মৌজার ৫৯৫দাগে আমার বাবার ভোগদখলীয় জমির ৩শতক জমি দখল করলে আমরা সেটির বিরুদ্ধে মামলা করি। বিজ্ঞ ম্যাজিট্রেট আদালতে আমরা ২ বার রায় পায়।
পরবতী ওই জমি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলমান রয়েছে এবং স্ট্রে অর্ডার আছে। সেই স্ট্রে অর্ডারকে উপেক্ষা করে তারা জোর পূর্বক পাকা ঘরবাড়ি নির্মাণ করছে। ৩ বছর পূর্বে সরকারী জায়গায় ঘরবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ ভ্র্যাম্যমাণ আদালত আখেরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও তার ছেলে বিশালকে ১৫ দিনের সাজা প্রদান করেন।
একই মৌজার ১০ একর জমি ১৯৮৯-৯০ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ভূমিহীনদের মাঝে বন্দোবস্ত দিলে সেই জমি আখের জোর করে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে জবর দখল করে আছে। ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানা ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের উপস্থিত থেকে ৬ ভূমিহীন পরিবারকে ৫ একর জমি বুঝিয়ে দেন।
এলাকার ভূক্তভোগী জলিল জানায়, আখের অতিসয় দাঙ্গাবাজ ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। তিনি সরকারী পুকুর ভরাট, সরকারী রাস্তা দখল করে বেশি দামে বিক্রি করাই তার ব্যবসা।
এবিষয়ে আখের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি জমি বন্দোবস্ত নিয়ে কাজ করছি। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়ার জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।