, , ।
স্পোর্টস ডেস্ক: ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে করেছিলেন নির্বাচনও। তবে নির্বাচিত হয়ে বেশিদিন দায়িত্ব পালনও করতে পারেননি সংসদ সদস্য হিসেবে।
রাজনীতির সঙ্গে এখন আর জড়িত না থাকলেও সাকিব আল হাসানের নাম নিলেই চলে আসে রাজনীতির প্রসঙ্গ। সম্প্রতি দেশের একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে মুঠোফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব কথা বলেছেন রাজনীতি নিয়েও। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতি করলে আওয়ামী লীগের হয়েই করার ইচ্ছা তার।
সাকিব আল হাসান বলেন, ‘সেটাই তো হওয়ার কথা (আওয়ামী লীগে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ), তাই না? আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে?’ বারবার দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা তার মাঝে নেই বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন সাকিব। তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।’
বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিন্ধ রয়েছে। তবে তা সবসময় থাকবে না বলে বিশ্বাস সাকিবের। এ ব্যাপারে সাকিব বলেন, ‘এখন নিষিদ্ধ, তাই বলে আজীবন নিষিদ্ধ থাকবে নাকি? আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে! এটা তো মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। দেশের একটা বড় অংশকে তো দাবিয়ে রাখতে পারবেন না।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলতে সবশেষ বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন। এরপর দেশে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি।