বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
সাপাহার প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার ও পত্নীতলা উপজেলার সীমান্তবর্তী কুচিন্দা খাড়ির সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের সংবাদ দৈনিক সানশাইন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারী সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ করে বশতবাড়ী নির্মাণের সীমানা চিহ্নিত করে দিয়েছে প্রশাসন। শনিবারে অনলাইন ভার্ষনে ও রবিবার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
গত শনিবার সাপাহার-কুচিন্দ খাড়ির সরকারী সম্পত্তি দখল করে ভবন নির্মানের সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমানা রিয়াজ সঙ্গে সঙ্গে এসিল্যান্ড ও সাপাহার সহকারী ভূমি উপসহকারী কর্মর্কর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে ভবন নির্মাণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন এবং মাপ জোকের পরে জানতে পারে যে ওই অংশটি পত্নীতলা উপজেলার দিবর মৌজায় পড়েছে।
সাথে সাথে নির্বাহী অফিসার বিষয়টি পার্শ্ববর্তী পত্নীতলা উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পত্নীতলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সরকারী সার্ভেয়ার দিয়ে উক্ত খাড়ীর সরকারী সম্পত্তি মাপ করে ভবন নির্মাণের মালিক পত্নীতলার বটতলী গ্রামের কফিল উদ্দীনের ছেলে ফিরোজ কবিরকে সরকারী সম্পত্তির খাড়ির অংশ হতে ভবনের ভিত্তি প্রস্তরের পূর্ব অংশে সাড়ে ৩ফিট ও পশ্চিমাংশে ৫ফিট জায়গা ছেড়ে দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
এদিকে, খাড়ির জায়গা পূর্ণাঙ্গভাবে দখলমুক্ত রাখতে এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী