রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী):বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী জামায়াত নির্ভার

স্টাফ রিপোর্টার, গোদাগাড়ী: নির্বাচন কমিশনে আপিলের পর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেকের। তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকলে আসনটিতে বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হবে। এদিক থেকে আসনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিছুটা নির্ভার।
রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন। এ আসনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন স্থানীয় বিএনপির নেতা শিল্পপতি সুলতানুল ইসলাম তারেক। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও তিনি স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। এতে শরীফ শিবিরে স্বস্তি নেমেছিল।
কিন্তু নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন সুলতানুল ইসলাম তারেক। আপিলে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এখানে জামায়াতের প্রার্থী রয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৮৬ সালে একবার এ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ আসনের বিএনপির নেতাকর্মীরা দুই নেতার পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে আগে থেকেই তাদের মধ্যে উত্তেজনাও আছে। সুলতানুল ইসলাম তারেক প্রার্থী থাকলে এখানে বিএনপির ভোট ভাগাভাগি হবে।
কয়েকজন তৃণমূল ভোটারদের সাথে কথা বললে তারা জানান, ‘এটা তো অবশ্যই, খুব নরমাল ব্যাপার যে তাদের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলে তা জামায়াতের জন্য পজিটিভ। একটা নির্বাচন হলে বা প্রচারণা শুরু হলে কার কী ফায়দা সেটা বোঝা যাবে। এখন প্রচারণা বন্ধ, কারও পোস্টারও নেই। ফলাফল কী হবে সেটা রেজাল্ট না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।
জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব বিশ্বনাথ সরকার বলেন, ‘রাজশাহী-১ আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী অনেক দিন ধরে যেহেতু মাঠে আছেন, তাই সামথিং ভোট পেতে পারেন। সেখানে কিছু ভোট নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তারপরও চেষ্টা করবো মাঠটাকে ঠিক করে নেয়ার জন্য।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দলীয় প্রার্থী শরীফ সাহেব জনপ্রিয় মানুষ। তাই বিদ্রেহী প্রার্থী নিয়ে ভাবছি না। আর মানুষ আসলে প্রতীক দেখেই ভোট দেয়। ধানের শীষ এ আসনে হারবে না।


প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬ | সময়: ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ

আরও খবর