, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সোমবার বিকেলে সিনেট ভবনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি স্মরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ‘বুদ্ধিবৃত্তিক, সাংস্কৃতিক ও ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণের লড়াইয়ে পথপ্রদর্শক একজন হাদি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর সালেহ্ হাসান নকীব। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর মো. রফিকুল ইসলাম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদার, ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর রায়হানা শামস ইসলাম। রাকসু সহ-সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদের সভাপতিত্বে এই সভায় রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ইমরান লস্কর স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
সভায় অতিথিবৃন্দ বলেন, সাংগঠনিক পরিচয়ে শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। কিন্তু তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শীর্ষ সংগঠক। সবচেয়ে বড় কথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য করণীয়সমূহ তিনি সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করে গেছে। এই অকুতোভয় ও প্রতিভাবান তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যু দেশ ও জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তার মৃত্যু এক বিশাল শূন্যতা রেখে গেলো।
হাদি এখন একজন ব্যক্তির নাম নয়, একটি আদর্শের নাম। এই আদর্শ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে পড়বে, কোনো হত্যাকাণ্ড দিয়ে একে থামিয়ে দেওয়া যাবে না। ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড কোনো সাধারণ অপরাধ নয়। এটি ন্যায়, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদার পক্ষে দাঁড়ানো একটি কণ্ঠকে স্তব্ধ করার অপচেষ্টা। হাদি হত্যার ঘটনায় দেশবাসির মধ্যে যে শোক তৈরি হয়েছে তা প্রকারান্তরে শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই শক্তিকে নিয়ে সুশাসন ও ন্যায়বিচার চাওয়ার সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। আমরা হাদির আরাধ্য লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারলেই কেবল তার আত্মদানকে সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি প্রমাণিত হবে। রাকসুর সহকারী মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সামিয়া জাহান আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন।