পুঠিয়ায় সরকারি ভাবে ডিলারের সার কেউ পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না

ইমাম হোসেন, সানশাইন ডিজিটাল:

রাজশাহীর পুঠিয়ায় একটু কম দামে সার পেতে কৃষকরা ডিলারের দ্বারস্থ হচ্ছেন। অথচ অনেক কৃষক সার না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। কেউ কেউ ঝাড়ছেন ক্ষোভ। অপরদিকে খোলা বাজারে বেশি দাম দিলেই মিলছে সার।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) উপজেলার কয়েকটি সারের ডিলারের দোকানে ঘুরে দেখা গেছে, সার কিনতে কৃষকদের উপচে পড়া ভিড়। ডিলারের নিকট হতে একজন কৃষক সার পাচ্ছেন ডিএপি ৫০ কেজি, পটাশ ২৫ কেজি, ও ফসফেট ২৫ কেজির একটি করে বস্তা।

উপজেলার দাশমাড়িয়া এলাকার কৃষক আবুল কালাম দুপুর ২ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে ডিলারের নিকট হতে সার না পেয়ে মনের মাঝে ক্ষোভ নিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। কথা বলতেই রেগে যান। এমন অনেক কৃষক সার না পেয়ে ফিরে যেতেও দেখা গেছে।

কথা হয় একই উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন, তিনি আড়াই বিঘা জমিতে পেঁয়াজ ও রসুনের চাষ করবেন বলে, কম টাকায় সার নিতে ডিলারের নিকট আসেন। সার না পেয়ে বলেন, আমি সকাল ৮ টার সময় সার কিনতে এসেছি। দুইটা বাজে এখন, সার মনে হয় পাব না। বাসায় চলে যাচ্ছি।

উপজেলার হারোখালি এলাকার কৃষক দুলাল হোসেন, তার ১০ কাঠা পেঁয়াজ (ঢেমনটা), ১০ কাঠা বেগুন, ১০ কাঠা জমিত রয়েছে রসুন এবং ৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য সাড়ে তিন কেজি, কদম পেঁয়াজের চারা তৈরি করেছেন। তিনি সার না পেয়ে বলেন, সকাল থেকে এসে বসে আছি। সার পাইনি। এখন বাসায় চলে যাচ্ছি। বাহিরের দোকান থেকে সার কিনে ফসল করলে অনেক খরচ হবে। ডিলারের কাছ থেকে সার পেলে আমার প্রায় ২০ হাজার টাকা সাশ্রয় হবে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে, পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, যারা এখনো ফসলের বীজতলা তৈরি করেনি ও যারা করেছেন, সবাই একসাথে গেলে এমন সমস্যা হবেই। তবে পর্যায়ক্রমে সকল কৃষক সার পাবেন।

মুঠোফোনে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, শুধু নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি সার পাবেন না, সকল কৃষক সার পাবেন।

সানশাইন /শামি


প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ | সময়: ৫:৪৭ অপরাহ্ণ | Daily Sunshine