সর্বশেষ সংবাদ :

গভীর রাতে চাচি খুন জখম ভাতিজি

স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট: জয়পুরহাট সদর উপজেলার চকবরকত ইউনিয়নের চিরলা গ্রামে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে দুর্বৃত্তের আঘাতে নিজ স্বয়ন কক্ষে নুরুন্নাহার বেগম (৪৭) নামে স্বামী পরিত্যক্ত এক নারী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় একই সঙ্গে থাকা তার ভাতিজি খাদিজা (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রী গুরুত্বর আহত হয়েছে।
স্থানীয়রা খাদিজাকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার জয়পুরহাট হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে স্থানান্তর করেন। তবে এ ঘটনায় পরিবারের অন্য সদস্যরা পাশের ঘরে থাকলেও তারা কোনো শব্দ শুনতে পাননি।
সদর থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সদর উপজেলার চকবরকত ইউনিয়নের চিরলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন, সদর থানার ওসি নাজমুল কাদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহত নুরুন্নাহার বেগম (৪৭) চিরলা গ্রামের আব্দুল গফুরের মেয়ে। আর আহত খাদিজা (১৫) একই গ্রামের আব্দুল মতিনের মেয়ে। সে পল্লীবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। নুরুন্নাহার ও খাদিজা স¤পর্কে ফুফু-ভাতিজি।
নিহতের ভাবী মীম আক্তার বলেন, আমি আমার ছোট মেয়ে, শ্বশুর, ননদ নুরুন্নাহার ও ভাতিজি খাদিজা একই বাড়িতে থাকি। মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে রাত ৯টার দিকে আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। ননদ ও ভাতিজি পাশের ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ৩টার পর তাদের ঘর থেকে জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার শব্দ পাই। তখন দরজা খুলতে গিয়ে খুলতে পারিনি, বাইরে সিটকানি দেওয়া ছিল। পরে আমার ভাসুরকে কল করে ডেকে নেই। বের হয়ে দেখি ননদ রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানা ওপর পড়ে আছে, আর ভাতিজি নিচে। তবে ঘটনার সময় পাশের রুমে কোন হৈচৈয়ের শব্দ পাননি বলে তিনি জানান।
জয়পুরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন বলেন, নুরুন্নাহার নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আমরা জানতে পরি নুরুন্নাহার এবং তার ভাতিজি খাদিজা একই ঘরে থাকতো এবং ওই ঘরে রাতে সুকৌশলে কে বা কারা প্রবেশ করে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে দুজনকে আঘাত করে। এতে একজন নিহত এবং একজন গুরুত্বর আহত হয়।


প্রকাশিত: December 4, 2025 | সময়: 7:27 am | সুমন শেখ

আরও খবর