সর্বশেষ সংবাদ :

কাটাখালিতে মসজিদ সংলগ্ন ড্রেনের ওপর টয়লেট নির্মাণে ক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার: পবা উপজেলার কাটাখালি বাজার মসজিদ সংলগ্ন ড্রেনের ওপর সরকারি টয়লেট নির্মাণে মুসল্লী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। কাটাখালি পৌরসভা এই টয়লেটটি নির্মাণ করছে। রাস্তার পাশে টয়লেট নির্মাণে জনগণের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এমনটি কয়েকদিন আগে পৌরসভার লোকজনের সাথে এলাকাবাসীর মারপিটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। কাটাখালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মসজিদের পাশে টয়লেট নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে, মসজিদের স্থানকে পবিত্র মনে করা হয় এবং এর চারিপাশে টয়লেট নির্মাণ করাকে নাজায়েজ বা নিষিদ্ধ হিসেবে দেখা হয়। এই ধরনের নির্মাণ ধর্মীয় পবিত্রতার পরিপন্থী এবং এতে মসজিদের পবিত্রতা ও সম্মানহানি ঘটে বলে অনেক মুসল্লি মনে করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাটাখালি বাজার কমিটির এক ব্যক্তি বলেন, আমরা আশংকা করছি-ওই নির্মিতব্য টয়লেটের ট্যাংকির সোয়ারেজের লাইন ড্রেনের সাথে সংযুক্ত থাকবে। এতে ড্রেনের পানি আরো দুষিত হবে। এই এলাকার মানুষ ড্রেনের পানি দিয়ে কৃষি আবাদ করে থাকেন। সেচ দেওয়ার জন্য দূষিত পানির স্পর্শে চর্মরোগ হতে পারে।
স্থানীয়রা বলেন, কয়েকদিন আগে টয়লেট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে মারপিটের ঘটনা ঘটে। শুধু তাই নয়-কাটাখালি পৌর সভায় টিউবওয়েল, কম্বল, টয়লেট-প্রতিটি কাজেই অনিয়মের সৃষ্টি হয়। এই পৌরসভায় প্রায় ২শটি টয়লেট নির্মাণ হবে। জনস্বাস্থের এই টয়লেট নির্মাণে ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়। তবে প্রাপ্যদের বঞ্চিত করে এবারো স্বজনপ্রীতি ও বড়লোক, ব্যবসায়ীকে দেয়া হয়েছে। আর কাজের সাথে সম্পৃক্তের অভিযোগ উঠেছে পৌর সচিব সিরাজুম মনির, পৌরসভার খাজা ও আসাদ আলীর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা বলেন, ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় বরাদ্দে প্রায় ২৫০ টয়লেট নির্মাণ হবে।
বিগত আওয়ামী লীগের শেষের সময়ে আলী হোসেনের বাড়ি নির্মাণ করা হয়। এই আমলেও আবারো তার বাড়িতেই পায়খানা তৈরী হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কাপাসিয়ার রানার চাচার বাড়ীতে নির্মাণের কথা বলে তার ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠানেও টয়লেট নির্মাণ করা হয়। এছাড়াও মশা মারার কীটনাশক স্প্রে না করে ২২ লাখ টাকার লুটপাট করেছে বলে জানা গেছে। আর সচিবতো বাংলাদেশের মধ্যে চালাক লোক। ৫আগষ্টকে কেন্দ্র করে পৌর হলরুমের সমস্ত এসিসহ নানা উপকরণ খুলে বেঁচে দিয়ে নতুন করে বরাদ্দ নেন। এখানেও কমদামে উপকরণ কিনে বেশী দাম ধরে পৗর টাকা আত্মসাৎ করেছে। যা তদন্ত করলে পাওয়া যাবে। এসব নানা কারণে এ্যাড. রাসেল ও যুবনেতা মনিরুল ইসলাম আসাদকে লাঞ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন পৌর সচিব সিরাজুম মনির ঘুরে ফিরে নিজস্ব ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেন।


প্রকাশিত: November 1, 2025 | সময়: 4:02 am | সুমন শেখ