সর্বশেষ সংবাদ :

রাজশাহীতে ইসলামী ব্যাংকের ‘অবৈধ নিয়োগ’ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

স্টাফ রির্পোটার: ইসলামী ব্যাংক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর ‘বিজ্ঞপ্তি ছাড়া’ যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সেইসব ‘অবৈধ’ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন হয়েছে। সোমবার সকালে নগরীর লক্ষীপুর ও নিউমার্কেট এলাকায় ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের এই মানববন্ধনে অংশ নিতে দেখা যায়। আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এস আলম গ্রুপের প্রভাবে ইসলামী ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই হাজার হাজার জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের অধিকাংশই চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাসিন্দা। এতে দেশের অন্য ৬৩ জেলার প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন। এস আলম গ্রুপ ও তাদের দোসররা ইসলামী ব্যাংকের দখল নিয়ে ব্যাংকিং খাতে এক ভয়াবহ নজির স্থাপন করেছে। ছাত্র-জনতার দুর্বার আন্দোলনে যেমন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন ঘটেছে, ইসলামী ব্যাংক থেকেও এই দখলদারদের চিহ্ন মুছে ফেলতে হবে।”
বক্তারা অভিযোগ করেন, এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক দখলের পর ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে ৭ হাজার ২২৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন, যার মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি পটিয়া উপজেলার। এতে ব্যাংকের সেবার মান ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তারা আরও বলেন, এসব নিয়োগপ্রাপ্তদের অনেকে গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন, পেশাদার আচরণে অক্ষম এবং আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলার কারণে গ্রাহকরা যোগাযোগে সমস্যায় পড়েন। ফলে ব্যাংক পরিচালনায় অরাজকতা দেখা দিয়েছে। অবৈধ নিয়োগ বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান।
এদিকে ব্যাংক সূত্র জানায়, যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য ইসলামী ব্যাংক গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর মাধ্যমে একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা আয়োজন করে। ওই পরীক্ষায় অংশ নিতে ৫ হাজার ৩৮৫ জন কর্মকর্তাকে আহ্বান জানানো হলেও মাত্র ৪১৪ জন অংশ নেন। অংশ না নেওয়া ৪ হাজার ৯৭১ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয় এবং ৪০০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ব্যাংক লুটেরা এস আলম ও তার নিয়োগপ্রাপ্ত অযোগ্য কর্মকর্তাদের অপসারণ না করা হলে একে একে গ্রাহকরা ইসলামী ব্যাংক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।”
গোদাগাড়ী: ইসলামী ব্যাংক এস আলমের কব্জায় যাওয়ার পর ‘বিজ্ঞপ্তি ছাড়া’ যারা চাকরি পেয়েছেন, তাদের ‘অবৈধ’ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে গোদাগাড়ী ইসলামী ব্যাংকের সামনে।
রোববার সকাল সাড়ে ন’টার দিকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘সচেতন ব্যাংকার সমাজ’ এবং ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম ছাত্র সমাজ ও সচেতন পেশাজীবী গ্রুপ’।
রাজশাহী-চাপাই মহাসড়কে গোদাগাড়ী ইসলামী ব্যাংক শাখার সামনে মানববন্ধনে ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম’ এর পক্ষে গোদাগাড়ী ডাইংপাড়া বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এস আলম গ্রুপ ও তাদের দোসররা ইসলামী ব্যাংকের দখল নিয়ে বাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ছাত্র-জনতা দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন ঘটিয়েছে। ইসলামী ব্যাংকেও তাদের চিহ্ন রাখা হবে না।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এস আলমের প্রভাবে ইসলামী ব্যাংকে চট্টগ্রাম অঞ্চলের অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। একইসঙ্গে সারা দেশ থেকে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নিয়োগের আহ্বান জানান তারা।
এ সময় গোদাগড়ী উপজেলা ব্যাবসায়ী ফোরাম, গ্রহক ফোরাম, সাধারণ ছাত্র সমাজ, সচেতন নাগরীক সমাজ, উপজেলা পেশাজীবী গ্রুপ, একই দাবিতে যৌথভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
সমাবেশে ব্যবসায়ী তৈাহিদ হোসেন, গ্রহক ফোরামের গোলাম মোর্তজা, সচেতন নাগরিক ফোরামের রফিকুল ইসলাম মাষ্টার ও পেশাজীবি আবুতালেব বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, এস আলম ইসলামী ব্যাংক দখলের পর ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদে শুধু চট্টগ্রামের ৭ হাজার ২২৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন, যার মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জনের বেশি পটিয়া উপজেলার। দেশের ৬৩ জেলার প্রার্থীদের বঞ্চিত রেখে এক জেলার প্রার্থীদের প্রধাধান্য দেওয়ায় ব্যাংকের সেবার মান ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
তারা বলেন, এসব নিয়োগ প্রাপ্তদের অধিকাংশই গ্রহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন, পেশাদার সেবা দিতে অক্ষম, এমনকি আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলায় গ্রহহকরা যোগাযোগে সমস্যায় পড়েন। এভাবে ব্যাংক চালানো সম্ভব নয়। অবিলম্বে এসব অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে সারা দেশ থেকে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এদিকে ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে নিয়োগ প্রাপ্তদের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য ইসলামী ব্যাংক গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর মাধ্যমে মূল্যায়ন পরীক্ষা আয়োজন করে। ওই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ৫ হাজার ৩৮৫ জন কর্মকর্তাকে ডাকা হলেও মাত্র ৪১৪ জন অংশ নেন। বাকি ৪ হাজার ৯৭১ জন পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের ওএসডি করে এবং ৪০০ জনকে চাকরিচ্যুত করে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা বলেন, ব্যাংক লুটেরা এস আলম ও তার নিয়োগপ্রাপ্ত অযোগ্য কর্মকর্তাদের অপসারণ না করা হলে গ্রাহকরা একে একে ইসলামী ব্যাংক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।
বানেশ্বর: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডেএস আলম গ্রুপ কর্তৃক নিয়োগকৃত অদক্ষ ও অসদাচরণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ এবং কর্মকর্তাদের ছাঁটাইয়ের দাবিতে রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বরে মানববন্ধন করেছে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম। সোমবার ৬ অক্টোবর সকাল ৯টায় ইসলামী ব্যাংক বানেশ্বর শাখার সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক নারী-পুরুষ সাধারণ গ্রাহক অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গ্রাহক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেন বাপ্পী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুর রাকিব, শহিদুল ইসলাম সহ অনেকে।
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেন বাপ্পী বলেন, ‘এস আলমের কর্মচারীরা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে, যেটা আমাদের জন্য দুর্বোধ্য। তাদের আচরণে আমরা অপমানিত বোধ করি।’
পুরোনো গ্রাহক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা ইসলামী ব্যাংকের বহু পুরোনো গ্রাহক। কিন্তু এস আলমের মাধ্যমে আসা নতুন ক্যাশিয়ার ও কর্মকর্তারা যেভাবে আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে, তা অতীতে কখনো দেখিনি। আমরা এদের অপসারণ চাই।’
আব্দুর রাকিব বলেন, ‘এস আলম ইসলামী ব্যাংকের দখল নেওয়ার পর থেকেই ব্যাংক পরিচালনায় নৈরাজ্য শুরু হয়েছে। সেবার মান ধ্বংস হয়েছে। আমরা তাদের নিয়োগকৃত অদক্ষ জনবল দ্রুত ছাঁটাইয়ের দাবি জানাচ্ছি।’
শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এস আলমের নিয়োগকৃত কর্মকর্তারা পেশাগতভাবে অদক্ষ। অফিসে কোনো কাজে গেলে তারা অসদাচরণ করে, কাজেও গড়িমসি করে।’
বক্তারা দ্রুত অদক্ষ ও দুর্ব্যবহারকারী কর্মকর্তা ছাঁটাই না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
এ সময় ব্যাংক চত্বরে শতাধিক গ্রাহক জড়ো হয়ে এস আলম নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণের দাবিতে স্লোগান দেন। তারা দ্রুত ব্যাংক কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেন এবং আগের মতো সেবামূলক আচরণ নিশ্চিতের আহ্বান জানান।
জয়পুরহাট: এস আলম ইসলামী ব্যাংকের দখল নেয়ার পর ব্যাংকে পটিয়ার পানের দোকানদার, বাড়ির কাজের বুয়া, অটোচালক, রাজমিস্ত্রিও সহকারী, রংমিস্ত্রী সহ অনেককে ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিতদের বিজ্ঞাপন প্রকাশ ও পরীক্ষা ছাড়াই অবৈধ ভাবে নিয়োগ দেন। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে অবৈধ ভাবে নিয়োগ দেওয়া সেই ৮ হাজার ৩৪০ জনকে অপসারণ ও অবিলম্বে মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবী সহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে জয়পুরহাটে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈষম্য বিরোধী চাকরি প্রত্যাশী পরিষদ ও ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম জয়পুরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে সোমবার বেলা ১১ টায় জয়পুরহাট শহরের প্রধান সড়কে জয়পুরহাট ইসলামী ব্যাংক শাখার সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন মোল্লা, অধ্যক্ষ আব্দুল হাকিম, পূর্ব বাজার কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আহসান হাবিব, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, প্রকৌশলী আব্দুল বাতেন, গোলাম মর্তুজা ও এনামুল হক, চাকুরী প্রত্যাশী জুয়েল, পিয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।
তানোর: ‘ব্যাংক ডাকাত এস আলম কর্তৃক অবৈধভাবে নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবিলম্বে বহিষ্কার এবং লুটে নেয়া কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের দাবিতে’ রাজশাহীর তানোরে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার সকালে ইসলামী ব্যাংক (পিএলসি) তানোর উপশাখার সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন আইবিডব্লিউএফ তানোর উপজেলা সভাপতি ও ইসলামী ব্যাংক তানোর উপশাখার বিনিয়োগ গ্রাহক কাজী বাইক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী কাজী আফজাল হোসেন, ইসলামী ব্যাংক তানোর উপশাখার এফ.এ.ভিপি ও ইনচার্জ মোনোয়ার হোসাইন খান, সচেতন গ্রাহক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও মদিনা বাজারের ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন, খলিলুর রহমান, এস. এম. সাজ্জাদ, সালাউদ্দিন, জুয়েল রানা, মাহবুর চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম। এসময় সচেতন গ্রাহক ফোরামের শত শত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক যেন ভবিষ্যতে কোনোভাবেই অবৈধভাবে দখল না হয় এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ইসলামী ব্যাংক দেশের উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইসলামী ব্যাংকে এস আলম গ্রুপের দেয়া নিয়োগপ্রাপ্তদের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার শহরের বাতেনখার মোড়ে ব্যাংকের জেলা শাখার সামনে এ কর্মসুচি পালিত হয়। ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে দুই শতাধিক গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম গ্রাহক নবাব গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আকবর হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর তোহরুল ইসলাম সোহেল, অধ্যপক মোজাম্মেল হক, গ্রাহক মোজাম্মেল হোসেন সহ অন্যরা।
বক্তরা বলেন, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এস আলম গ্রুপ অবৈধভাবে মেধা যাচাই ছাড়া শুধু চট্টগ্রামের লোক বিবেচনায় নিয়োগ দেয়া হয় ইসলামী ব্যাংকে। তারা ব্যাংকিং কার্যক্রম ও সেবার কিছুই জানেন না। তাদের কারণে মুখ থুবড়ে পড়ে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকসেবা।
বক্তরা আরও বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টের আগে ৭ বছরের ইসলামী ব্যাংকে বিভিন্ন পদমর্যাদার ৭ হাজার ২২৪ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয় চট্টগ্রাম থেকে। এদের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ হাজারই পটিয়া উপজেলার। অন্য জেলার চাকরি প্রার্থীদের বঞ্চিত করে গোপনে নিজ এলাকার লোকজনকে নিয়োগ দিয়েছিলেন এস আলম।
অবিলম্বে ওই সময় নিয়োগপ্রাপ্তদের অপসারণ করে ইসলামী ব্যাংকে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়ার আহ্বান জানান মানববন্ধন থেকে।


প্রকাশিত: October 7, 2025 | সময়: 4:25 am | সুমন শেখ

আরও খবর