, , ।
স্টাফ রির্পোটার: রাজশাহীতে জুলাই ও আগস্ট মাসে মোট ১৮ নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। উন্নয়ন সংস্থা লেডিস অর্গানাইজেশন ফর সোসাল ওয়েলফেয়ার (লফস) এর ডকুমেন্টেশন সেলের সংকলিত তথ্যে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, যৌতুক, পরকীয়া, পারিবারিক কলহ ও প্রেম-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে হত্যাকাণ্ড, আত্মহত্যা, ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের মতো অমানবিক ঘটনা ঘটছে। এছাড়া বিদেশি কিছু টিভি সিরিয়ালও পরকীয়াকে উৎসাহিত করছে বলে দাবি করেছে লফস। আগস্টে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘটনা ঃ পুঠিয়ায় শিশু আবরার ফাহাদ (৬) হত্যার অভিযোগ দুই শিশুর বিরুদ্ধে। পবা উপজেলার বামনশিকড় গ্রামে অভাবের তাড়নায় দুই শিশু মাহিম (১৪) ও মিথিলাকে (৩) হত্যা করেন তাদের পিতা। পুঠিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়। নগরীর আমলি আদালতের সামনে এক নারী (৩৫) প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত হন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির শিকার হয় তারই বিভাগের এক শিক্ষকের দ্বারা। বোয়ালিয়া থানার সাধুর মোড়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। তানোরে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে এক নারীর মৃত্যু হয়। ভাটাপাড়ায় এক নারী আত্মহত্যা করেন। জুলাই-আগস্টে নারী ও শিশু লফসের নির্বাহী পরিচালক শাহানাজ পারভীন বলেন, “সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনার বাইরেও অনেক নির্যাতনের তথ্য অপ্রকাশিত থেকে যায়। নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাগুলোতে সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে।”