, , ।
ইমাম হোসেন, ডিজিটাল :
সারা দেশের ন্যায় কয়েকদিন থেকে থেমে থেমে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি ও থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি বর্ষণ হচ্ছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি কষ্টের মধ্যে রয়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষরা। বিপাকে পড়েছেন অফিসগামী ও জরুরী দরকারে বাহিরে বের হওয়া মানুষেরা। রাজশাহীর সবকটি উপজেলায় একই রকম অবস্থা। রাজশাহী মহানগরেও সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। এই বিড়ম্বনা থেকে বাদ পড়েনি স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও। তবে আশার বাণী এই মুহূর্তে মাঠে ফসল না থাকায় কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী। উল্টো পাটের জন্য ব্যাপক উপকার হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই বলা যেতে পারে পাটের মধুমাস। গত ১০ বছরের তুলনায় এবছর পাটের উৎপাদনের আশঙ্কা প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হওয়ার কারণে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকেই দেখা গেছে জীবনের তাগিদে ভ্যান রিক্সা নিয়ে বের হয়ে কাজ করতেন। যদিও তুলনামূল ভাড়া একেবারেই কম।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র মতে, আগামী এক সপ্তাহ কিছু কিছু সময় আবহাওয়ার পরিবর্তন হলেও, সারা সপ্তাহ জুড়েই থাকবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
পুঠিয়া এলাকার আবুল কাশেম নামের একজন ভ্যানচালক জানান, এ সপ্তাহের প্রথম থেকেই প্রতিদিনই বৃষ্টিপাত শুরু হচ্ছে, এতে করে ভাড়া খুব একটা বেশি হচ্ছে না। সেই সাথে আমরা পড়েছি অর্থসংকটে দুটো এনজিও থেকে টাকা উঠিয়ে ব্যাটারি চালিত ভ্যান কিনে প্রতিদিন জীবিকা নির্বাহ করে সংসার চালাই। কিন্তু বৃষ্টিপাতের কারণে ওই দুই এনজিওর কিস্তি দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কিস্তির জন্য প্রতিনিয়ত এনজিও থেকে আমাকে ফোন দিচ্ছে। আমি একটু বিপাকে আছি আবহাওয়ার কারণে। নাটোর রাজশাহী মহাসড়কে আরেকজন সিএনজি চালক আ: বারিক তিনিও এনজিওর কিস্তি নিয়ে সিএনজি কিনেছেন। বৃষ্টির কারণে তাকেও করতে হয়েছে সমস্যার মধ্যে।
সানশাইন /ইমাম/শামি