ঈশ্বরদীতে কাভার্ডভ্যান চাপায় মা-মেয়ে সহ তিনজন নিহত

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে লিচু কিনতে গিয়ে কাভার্ডভ্যান চাপায় মা-মেয়ে ও লিচু বিক্রেতাসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া-কুষ্টিয়া মহাসড়কের মিরকামারী মুন্নার মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নাটোর সদর উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য মফিজুল ইসলামের স্ত্রী সুবর্ণা খাতুন (৪৬) ও তার মেয়ে পূর্ণতা রহমান (৮) এবং ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের মিরকামারী মুন্নার মোড় এলাকার মৃত আবেদ আলী মন্ডলের ছেলে লিচু বিক্রেতা আনিসুর রহমান (৫৫)। ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.স.ম আব্দুর নুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় সড়কের পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে লিচু কেনার জন্য থামেন সাবেক বিজিবি সদস্য মফিজুল ইসলাম। সেখানে সড়কের পাশে লিচু বিক্রি করছিলেন লিচু বিক্রেতা আনিসুর রহমান। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কুষ্টিয়া থেকে নাটোর যাওয়ার পথে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে লিচুর দরদাম করছিলেন মফিজুল ইসলাম। সে সময় দ্রুতগতির একটি কাভার্ডভ্যান চারজনকে চাপা দিয়ে চলে যায়।
পাকশী হাইওয়ে থানা পুলিশ সূত্র জানায়, অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য মফিজুল ইসলাম পরিবার নিয়ে শ্বশুরবাড়ি কুষ্টিয়া থেকে নিজ বাড়ি নাটোরে ফিরছিলেন। মাঝপথে ঈশ্বরদীর মিরকামারী মুন্নার মোড় এলাকায় সড়কের পাশে লিচু কিনতে গেলে পেছন থেকে আসা কার্ভাডভ্যান মফিজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী, মেয়ে এবং লিচু বিক্রেতাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আহতদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিচু বিক্রেতা আনিসুর রহমান এবং মোটরসাইকেল আরোহী সুবর্ণা খাতুন ও পূর্ণতাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মোটরসাইকেল চালক মফিজুল ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি আব্দুর নূর বলেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। মরদেহ উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে হাইওয়ে থানায় মামলা হয়েছে।


প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৫ | সময়: ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ