, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: বাগমারা রাজশাহীর বাগমারায় লীজকৃত পুকুর থেকে মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকাল ৮টায় উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের চাঁইপাড়া গ্রামে আমিনুল ইসলামের লীজকৃত একটি পুকুরের চাষকৃত বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুটের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় বাগমারা থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী পুকুর লীজ গ্রহিতা আমিনুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ মাস আগে সহকারি কমিশনার (ভূমি) দপ্তর থেকে চাঁইপাড়া গ্রামের একটি সরকারি পুকুর লীজ গ্রহণ করে। লীজ নেয়ার পর থেকে মাছের চাষ করে আসছেন আমিনুল ইসলাম।
আমিনুল ইসলাম জানান, সেই পুকুরে জোরপূর্বক অনুগতদের নিয়ে মাছ লুট করে নিয়ে যায় শ্রীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মৃধা। মাছ লুটের ঘটনায় মকবুল হোসেন মৃধা সহ জাকির হোসেন, নাজমুল হক, রফিক আলী এবং আজাদ আলী সহ ৭-৮ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৪৩১-১৪৩৩ সন মেয়াদী চাঁইপাড়া মন্দির পুকুরটি লীজ নেয় আমিনুল ইসলাম। তার সেই পুকুরে জোরপূর্বক মাছ লুট করতে থাকে।
এ সময় আমিনুল ইসলাম মাছ লুটে বাধা দিতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে ভয়ভীতি দেখায়। নিরুপায় হয়ে থানার আশ্রয় নেয় লীজ গ্রহীতা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে ওই পুকুর থেকে প্রায় তিন শত মণ মাছ লুট করা হয়েছে।
মাছ লুটের ঘটনায় লীজ গ্রহীতা আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি সরকারি প্রক্রিয়া মেনে চাঁইপাড়া গ্রামের মন্দির পুকুর লীজ গ্রহণ করি। আমার লীজকৃত পুকুর মাছ চাষ করছি। সেই মাছ জোর পূর্বক সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মৃধার নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন ক্যাডার দিনের বেলায় ভয়ভীতি দেখিয়ে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। তারা যে কোন সময় আমার উপরে হামলা করবে বলেও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
এ ঘটনায় শ্রীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন মৃধার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে উক্ত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমি কোন পুকুরের মাছ মারিনি। আমাকে হেও করতে অভিযোগে আমার নাম জড়ানো হতে পারে। অভিযোগে আমার নাম ব্যবহার করা হয়ে থাকলে বিবাদী ঠিক করেনি।
এ ব্যাপারে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমি এখনো অভিযোগ হাতে পাইনি, পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।