নাটোরের লালপুরে আম গাছে ঝুলছিল এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ

স্টাফ রিপোর্টার: নাটোরের লালপুরে আম গাছ থেকে নাজমুল হোসেন (২৭) নামের এক রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে লালপুর থানা পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট ) সকালে উপজেলার বাহাদুরপুর মৃত ইয়াদ আলী মাস্টারের আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত নাজমুল উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের পাচু মন্ডলের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মাঠে কাজে যাওয়ার সময় বাহাদুরপুর মৃত ইয়াদ আলী মাস্টারের বাগানে আম গাছের সাথে নাজমুলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। এর পরে লালপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

নাজমুলের ছোট ভায়ের বউ উর্মি খাতুন বলেন, ৯বছর পূর্বে নাজমুল সম্পর্ক করে বাঘা উপজেলার চানপুর এলাকার সামছের আলীর মেয়ে বিথির সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের  ৩বছর পর নাঈম নামের তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। কিছু দিন থেকে মোবাইল ফোনে একই এলাকার জালালের ছেলে মনির সাথে বিথি কথা বলে এ  অভিযোগে মনির পরিবারের লোকজন সপ্তাহ খানেক আগে আমাদেরকে বাড়িতে এসে মারধর ও হুমকি দিয়ে যায়।

নিহত নাজমুলের মা নাজিরা বেগম বলেন, আমার ছেলে নাজমুল পেশায় রাজমিস্ত্রী। গতকাল সন্ধ্যার সময় বাড়িতে ফিরে গোসল করে বাজারে যায় । কিন্তু রাতে বাড়ি না ফিরলে মনে করি  ছেলের বউ বিথি তার একমাত্র সন্তান নাঈম-কে নিয়ে বাবার বাড়ি বাঘার চানপুর যাওয়ায় নাজমুল তার শশুর বাড়ি গিয়েছে। কিন্তু সকালে খবর পায় বাহাদুরপুর  ইয়াদ আলী মাস্টারের বাগানে নাজমুলের লাশ আম গাছে ঝুলছে। বিষয়টি জানার পরে ঘটনাস্থলে এসে ছেলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি এই হত্যা-কান্ডের বিচার চাই।

 

 

 

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, নাজমুলের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে, ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠনো হবে। তাকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মামালা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৪ | সময়: ৫:১৫ অপরাহ্ণ | Daily Sunshine

আরও খবর