, , ।
স্টাফ রিপোর্টার বাঘা :
রাজশাহীর বাঘা ও নাটোরের বাড়াতি পাড়া উপজেলার শেষ সীমানায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে উজ্জল হোসেন(৩৫) নামে একজন ব্যবসায়ীকে তার শিশু সন্তানের সামনে মারপিট করে আহত করা হয়েছে। একই সাথে তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটিও কেড়ে নিয়েছে একই এলাকার সুদখোর বাবু হোসেন(৩৮)সহ তার বন্ধু।
শনিবার(০৯-ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার সময় দুই উপজেলার শেষ সীমানা দীঘা বাজার পার হয়ে একটি ইক্ষু ক্রয় কেন্দ্রের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর পাশের গ্রাম বাউসা এলাকা থেকে উজ্জল এর শশুর বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১ টায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
মৃত উজ্জল হোসেন বাংলাদেশ এস.এম.সি (ঔষধ)কোম্পানীতে চাকরি করতেন। সেই সুবাদের বাঘা উপজেলায় তার অনেক গ্রাহক রয়েছে। তার বাড়ি পাশ্ববর্তী বাগাতি পাড়া উপজেলার প্রতাবপুর গ্রামে। পিতার নাম মৃত জালাল উদ্দিন। তিনি বাঘা উপজেলার বাউসা এলাকার জামাই বলে জানা গেছে। অপর দিকে অভিযুক্ত বাবু হোসে তার বাড়িও একই এলাকায়। তার পিতার নাম মৃত ময়েন উদ্দিন।
মতৃ উজ্জল হোসেনের ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে আমার ভাই একই গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে বাবু হোসেন এর কাছ থেকে সুদের উপরে মাত্র ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ছিলো। এই টাকার লভ্যাংশ(সুদ) হিসাব করলে বাবু হোসেন তার দেয়া ৩০ হাজারের বেশি অর্থ ইতোমধ্যে প্রদান করেছেন। এখন তার দাবি ছিলো আসল(জমা)টাকা। আর এই টাকা দিতে দেরি হওয়ায় বাবু ও তার বন্ধু জহুরুল(৩৪) শনিবার সকাল ১১ টায় আমার ভাইয়ের শিশু পুত্রের সামনে তাকে মারপিট করে এবং তার ব্যবহৃত একটি হিরো হোন্ডা মোটর সাইকেল কেড়ে নেয়।
এদিকে খবর পেয়ে তার শশুর বাড়ির লোকজন সহ প্রতিবেশিরা উজ্জল হোসেনকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে (২৪) নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করলে সেখানে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। নিরুপায় হয়ে রবিবার সকালে উজ্জল এর স্ত্রী ও ভাই সহ আত্নীয় স্বজনরা বাঘায় থানায় একটি অভিযোগ করতে আসেন। কিন্তু সেই অভিযোগটি নেয়া হয়না।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ইন্সপেক্টর তদন্ত) সবুজ রানা বলেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন উজ্জল হোসেন হার্টএ্যাটাক করে মারা গেছে। তার পরেও যদি বাদি পক্ষ অভিযোগ করতে চান তাহলে তাদেরকে ঘটনাস্থল এলাকা বাগাতি পাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করতে হবে। আমরা এমনটি পরামর্শ দিয়ে তাদেরকে বিদায় করেছি।
সানশাইন/সোহরাব