, , ।
স্পোর্টস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে কাভান সুলিভানের। ১৬ বছর বয়সে অভিষেক ম্যাচে পেরুর বিপক্ষে শুরুর একাদশে জায়গা করেই চমক দেখিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের এই মিডফিল্ডার। শনিবার ওরল্যান্ডোর ইন্টারকো স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে পেরুকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অভিষেকের দিন সুলিভানের বয়স ছিল ১৬ বছর ৩৬৩ দিন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হওয়া চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় এখন তিনি।
পেরুর বিপক্ষে ম্যাচে ৬২ মিনিট খেলেছেন সুলিভান। তবে এই ম্যাচে শুধু তিনিই নন, আরও কয়েকজনের জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে। জাতীয় দলের আগে ক্লাব ফুটবলেও দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছিলেন সুলিভান। বিশ্বকাপের বিরতির পর থেকেই ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে নজর কেড়েছেন তিনি। চলতি মৌসুমে এমএলএসে ২৪ ম্যাচে ৭ গোলের পাশাপাশি করেছেন ১২টি সহায়তা।
এর মধ্যে টানা আট ম্যাচে গোল বা সহায়তা করেছেন সুলিভান। এমএলএসের ইতিহাসে কোনো কিশোর খেলোয়াড়ের এটাই সবচেয়ে দীর্ঘ ছন্দ ধরে রাখার নজির। সুলিভানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফিলাডেলফিয়াও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থেকে ইস্টার্ন কনফারেন্সের তলানি থেকে উঠে এখন প্লে-অফের জায়গায় রয়েছে দলটি।
বুড়ো বয়সে গোল করে রেকর্ড গড়লেন মদ্রিচ
স্পোর্টস ডেস্ক: ৪১ বছর বয়সেও অর্জন থেমে নেই লুকা মদ্রিচের। উয়েফা নেশন্স লিগে ২-১ গোলের জয়ে ক্রোয়েশিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে গোলের দেখা পেলেন তিনি। ম্যাচের মাত্র কিছু সময় আগেও নিশ্চিত ছিলেন না খেলতে পারবেন কি না।
তীব্র জ্বরে ভুগছিলেন মদ্রিচ। এই কারণে মাঠে নামা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন তিনি। অংশ নেননি ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনেও। তবে মাঠে নেমে নিজের সর্বোচ্চ ও সেরাটাই উজাড় করে দিলেন দলের জন্য। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই বক্সের বাইরে বল রিসিভ করেন এবং ডান পায়ের জোরালো এক শটে এগিয়ে নেন ক্রোয়েশিয়াকে। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে সেই গোল করেন মদরিচ। আর বনে যান ক্রোয়েশিয়া সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করা ফুটবলার।
তবে তার বয়স এবারই প্রথম রেকর্ড তৈরি করেনি। ২০২৪ ইউরোতেও ৩৮ বছর ২৮৯ দিনে ইতালির বিপক্ষে গোল করে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতা বনে যান তিনি। তবে মদ্রিচের গোল যথেষ্ট ছিল না চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য। মদ্রিচের গোলের ৭ মিনিটের মধ্যেই গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান অ্যাডাম কারাবাক। আর ওই গোলের পর ম্যাচে আবারও লিড নেওয়ার তাড়না অনুভব করে ক্রোয়েশিয়া।
ম্যাচের শেষ দিকে কাঙ্ক্ষিত গোলটি পায় ক্রোয়েশিয়া। ইভান পেরিশিচের তৈরি করে দেওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২-১ করেন মার্কো পাশালিচ। শেষ পর্যন্ত এই গোলেই গ্রুপ এ৩-তে প্রথম তিন পয়েন্ট নিশ্চিত হয় ক্রোয়েশিয়ার। জয়সূচক গোলের কিছুক্ষণ আগেই মদ্রিচকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। প্রাগের দর্শকেরা দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে তাকে বিদায় জানান। কয়েক ঘণ্টা আগেও জ্বরের কারণে যার মাঠে নামাই অনিশ্চিত ছিল, তার জন্য সেটিই হয়ে ওঠে স্মরণীয় মুহূর্ত।